1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১৮ মাসেই উৎপাদনে যাবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রথম কারখানা: আশিক চৌধুরী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি তিন স্তরে, নতুন নীতিমালা জারি মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৬০ জনকে গ্রেপ্তার আমিরাতের ভিসা জটিলতার সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে : নুরুল হক নুর শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা

কোনো শ্রমিক আক্রান্ত হলে কারখানা লকডাউন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০
  • ২৯ Time View

করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে শিল্পের চাহিদার কারণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পোশাক কারখানা চালু করার সুযোগ দিয়েছে সরকার।  তবে কোনো কারখানার কর্মী কাজে যোগদানের পর করোনায় আক্রান্ত হলে সেই কারখানা লকডাউন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্থানীয় পর্যায়ের শ্রমিক দিয়ে সীমিত পরিসরে কারখানা খোলার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।  সে অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে পোশাক কারখানা খুলেছে।  সরকারের নির্দেশনা অনুসারে, অনেক কারখানায় হাত ধোয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ বেসিনের ব‌্যবস্থা করেছে।  সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে গোল চিহ্ন এঁকেছে।কিন্ত অভিযোগ রয়েছে, কারখানায় ভেতরে সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে মালিকপক্ষ। তবে শ্রমিকরা কারখানার ভেতর ঢোকার সময় গাদাগাদি অবস্থাতেই ঢুকছে। এতে সংক্রমণ ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছে এসব শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরাও।শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শ্রম অনুবিভাগ) ড. মো. রেজাউল হক বলেন, পোশাক কারখানা চালু করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আমাদের কাছে প্রতিটি শ্রমিক মূল্যবান। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পর্যবেক্ষণ করছে। কোনো কারখানা সুরক্ষা নিশ্চিতে ব্যর্থ হলে এবং কর্মীরা এ কারণে করোনায় আক্রান্ত হলে ওই কারখানা লকডাউন করে দেওয়ার বিষয়ে মালিকপক্ষকে জানানো হয়েছে।তিনি বলেন, আমরা এ বিষয়ে নিয়মিত মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছি, শ্রমিক পক্ষের বক্তব্যও আমরা শুনছি। সে হিসাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।গাজীপুরের পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে- শ্রমিকরা কারখানার বাইরে থাকুক আর ভেতরে থাকুক একজন আক্রান্ত হলেই কারখানা লকডাউন হয়ে যাবে।বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শ্রমিক নেতারা। এ বিষয়ে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু বলেন, করোনার প্রকোপের মধ্যে শিল্প-কলকারখানা, গার্মেন্টস খুলে দেওয়াকে আমরা প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছি। মালিকপক্ষ যেহেতু একপ্রকার জোর করেই কারখানা চালু করেছে, অবশ্যই শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। জীবিকা ও অর্থনীতি সচল রাখার জন্য মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে আপস করাকে আমরা সমর্থন করি না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ