1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থী ভিসায় আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণের শর্ত কঠোর হচ্ছে স্বপ্ন-বঞ্চনার নাটক ‘শুভঙ্কর হাত ধরতে চেয়েছিল’, আসছে শিল্পকলায় মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা বানাতে চান বিপাশা হায়াত, কেন? ২০২৭ সালেই শৈশবের ক্লাবে ফিরছেন মেসি? বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় পলাতক ট্রাকচালক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ আসছে কাল দেশের ৪৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা প্রকাশনায় শীর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে সিনেমা পরিচালনা করলে রাজের পরামর্শ নেব: দেব শুরু হলো তৃতীয় দিনের খেলা, লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত গুটিয়ে দেওয়া

ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের কাছ থেকে শেখার আছে : প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪০ Time View

শেরপুরের সেই নাজিমউদ্দিনের মহানুভবতার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, তার কাছ থেকেও শেখার আছে অনেক কিছু। এই ঘটনা বিশ্বে উদারতার এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।

উল্লেখ্য, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের খাদ্য সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে ১০ হাজার টাকা দান করেন ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিন।

আজ সোমবার সকালে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার মাঠ প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি প্রসঙ্গক্রমে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেরপুরের এক কৃষক নাম নাজিমউদ্দিন। তিনি ভিক্ষা করে দিন চালান। একেবারেই সাধারণ মানুষ। এক সময় কৃষিকাজ করতো উনি। অ্যাক্সিডেন্টে তার পা ভেঙে যায়। তারপর আর কাজ করতে পারেনি। এখন ভিক্ষা করে! ভিক্ষা করে করে দশ হাজার টাকা সে জমিয়েছিলো, থাকার ঘরটা ঠিক করবেন বলে। মাত্র একটা ছেঁড়া কাপড় তার গায়ে। ঘরে ঠিকঠাক খাবারও নেই তার। তারপরও সেই মানুষটা তার জমানো ১০টি হাজার টাকা তুলে দিয়েছে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য।

তিনি বলেন, তার মতো নিঃস্ব মানুষ যা করেছেন, এতবড় মানবিক গুণ সমাজের অনেক বিত্তশালীর মধ্যেও নেই। তার কাছে তো ১০ হাজার টাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। ঐ টাকা দিয়ে তিনি জামা-কাপড় কিনতে পারতেন, ঘরের খাবার কিনতে পারতেন। করোনাভাইরাসে নানা ধরনের অসুবিধা। সেসব নিয়েও চিন্তা করতে পারতো। কিচ্ছু ভাবেননি তিনি। তারপরও তার শেষ সম্বলটুকু তিনি দান করে গেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ