1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১৮ মাসেই উৎপাদনে যাবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রথম কারখানা: আশিক চৌধুরী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি তিন স্তরে, নতুন নীতিমালা জারি মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৬০ জনকে গ্রেপ্তার আমিরাতের ভিসা জটিলতার সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে : নুরুল হক নুর শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা

ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের কাছ থেকে শেখার আছে : প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৩ Time View

শেরপুরের সেই নাজিমউদ্দিনের মহানুভবতার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, তার কাছ থেকেও শেখার আছে অনেক কিছু। এই ঘটনা বিশ্বে উদারতার এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।

উল্লেখ্য, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের খাদ্য সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে ১০ হাজার টাকা দান করেন ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিন।

আজ সোমবার সকালে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার মাঠ প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি প্রসঙ্গক্রমে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেরপুরের এক কৃষক নাম নাজিমউদ্দিন। তিনি ভিক্ষা করে দিন চালান। একেবারেই সাধারণ মানুষ। এক সময় কৃষিকাজ করতো উনি। অ্যাক্সিডেন্টে তার পা ভেঙে যায়। তারপর আর কাজ করতে পারেনি। এখন ভিক্ষা করে! ভিক্ষা করে করে দশ হাজার টাকা সে জমিয়েছিলো, থাকার ঘরটা ঠিক করবেন বলে। মাত্র একটা ছেঁড়া কাপড় তার গায়ে। ঘরে ঠিকঠাক খাবারও নেই তার। তারপরও সেই মানুষটা তার জমানো ১০টি হাজার টাকা তুলে দিয়েছে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য।

তিনি বলেন, তার মতো নিঃস্ব মানুষ যা করেছেন, এতবড় মানবিক গুণ সমাজের অনেক বিত্তশালীর মধ্যেও নেই। তার কাছে তো ১০ হাজার টাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। ঐ টাকা দিয়ে তিনি জামা-কাপড় কিনতে পারতেন, ঘরের খাবার কিনতে পারতেন। করোনাভাইরাসে নানা ধরনের অসুবিধা। সেসব নিয়েও চিন্তা করতে পারতো। কিচ্ছু ভাবেননি তিনি। তারপরও তার শেষ সম্বলটুকু তিনি দান করে গেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ