1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিমান চলাচলে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি বাড়ছে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ: বিমান বাহিনী প্রধান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাকে ডিঙিয়ে যেভাবে মিয়ানমারে যায় ইরানের জেট ফুয়েল ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী নগরী’ গড়তে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দোহায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরল ইনভেস্ট বাংলাদেশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব কামাল হায়দার ওএসডি টেস্ট চ‍্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে চোখ রেখে সেরাটা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ সোনালী‌তে শওকত পুনর্বহাল, জনতা-অগ্রণী ও বেসিকে নতুন এমডি নিয়োগ নানা আয়োজনে বিএমপির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা এবার হত্যার হুমকির অভিযোগে ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী

সিডনির আতশবাজি উৎসব ঘিরে তীব্র বিতর্ক অস্ট্রেলিয়ায়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৬২ Time View

দাবানলে জ্বলছে গোটা অস্ট্রেলিয়া। তার মধ্যে বর্ষবরণে সিডনির আতশবাজি উৎসব বিতর্কের মুখে পড়েছে। পরিবেশবিদ থেকে সাধারণ মানুষ, অনেকেই এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে দাবানলের আগুনে জ্বলছে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত। সিডনি থেকে শুরু করে মেলবোর্ন- আগুন ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আঠারো। বাসস্থান পুড়ে গেছে এক হাজার পরিবারের। নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ। বাড়িঘর ছেড়ে সমুদ্রের ধারে আশ্রয় নিয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

এই পরিস্থিতিতে নতুন বছরের উৎসব আদৌ যুক্তিযুক্তি কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মানুষ। বিশেষত এত আগুনের মধ্যে আতসবাজির উৎসব ঠিক নয় বলেই মত দিয়েছিলেন অনেকে। পরিবেশবিদেরাও এর বিরুদ্ধে ছিলেন।

এমন পরিস্থিতিতে মেলবোর্ন এবং ক্যানবেরার আতশবাজি উৎসব বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু সমস্যা থাকলেও আতশবাজির উৎসব বন্ধ হবে না। কারণ এই উৎসব অস্ট্রেলিয়ার গর্ব। আমরা গোটা পৃথিবীকে দেখাতে চাই, অস্ট্রেলিয়া উদ্যম হারিয়ে ফেলেনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই সিডনির হারবারে আতশবাজি উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়। তাই শেষ পর্যন্ত উৎসব হলো। কিন্তু আনন্দ হলো না প্রতি বছরের মতো। নতুন বছরে সিডনির হারবারে আতশবাজি ফুটলো। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এর প্রতিবাদ করলেন অনেকেই। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, গোটা দেশ যখন দাবানলে দগ্ধ, তখন এই উৎসবের কি কোনও প্রয়োজন ছিল?

দাবানলে এখনও পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলস। সেখানকার নেতা জন ব্যারিলারো সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক পদক্ষেপ। দমকলকর্মীরা দিন রাত এক করে কাজ করছেন। তাঁদেরকেও একটু বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া উচিত।’

পরিবেশবিদদের একটা বড় অংশ মনে করছে, এই পরিস্থিতিতে আতশবাজির প্রদর্শন থেকে দূরে থাকা উচিত ছিল সিডনির। কারণ দাবানলে দূষণের মাত্রা ভয়াবহ জায়গায় পৌঁছেছে। তার উপর আতশবাজি দূষণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে, রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ