1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন : মঈন খান স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার জনবল নিয়োগ দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব নাগরিক নিজ নিজ ধর্মাচার স্বাধীনভাবে পালন করবেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের আমরা অর্থনীতির নতুন মডেলে কাজ শুরু করেছি : অর্থমন্ত্রী পে স্কেলের গেজেট চূড়ান্ত পর্যায়ে, প্রজ্ঞাপনের পর আছে আরো কয়েক ধাপ বিরোধী দলের বোঝা উচিত ৬ মাসে সব কাজ শেষ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ : কৃষিমন্ত্রী চলতি মাসের শেষেই সারা দেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সমাজ থেকে অপশক্তি দূর করতে চাই: আইনমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঔদ্ধত্য ও অহংকারের পতন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৩ Time View

পশ্চিমবঙ্গের তিনটি আসনের উপনির্বাচনে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রার্থীরা।

পশ্চিমবঙ্গের কালিয়াগঞ্জ, খড়গপুর ও করিমপুর আসনে তৃণমূলের প্রার্থীরা ব্যাপক ব্যবধানে বিজেপির প্রার্থীদের হারিয়েছেন বলে প্রাথমিক ফলে জানা যাচ্ছে।

উপনির্বাচনে অভাবনীয় এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ দাগলেন বিজেপির ‘ঔদ্ধত্য ও অহংকার’র বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ফল প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি বলেন, ‘ঔদ্ধত্য এবং অহংকারই’ বিজেপির পতনের মূল কারণ। জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকার (এনআরসি) বিরুদ্ধেও সরব হন তিনি।

মাত্র ছয় মাস আগে লোকসভা নির্বাচনে খড়গপুর-কালিয়াগঞ্জ আসনে পিছিয়ে থেকেও দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের এই জয়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন মমতা। তিনি এই জয়কে রাজ্যের মানুষকে উৎসর্গ করেছেন। পাশাপাশি তার নতুন স্লোগান, ‘তিনে-তিন, বিজেপিকে বিদায় দিন।’

তিন কেন্দ্রেই এনআরসি যে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে, সে কথা বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপির ঔদ্ধত্য, অহংকারকে মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। যখন তখন যে কোনও রাজ্যে যা খুশি করছে। বিজেপি কখনও এনআরসি, কখনও অন্য কিছু নিয়ে যা খুশি প্রচার করছে। এই মানুষরাই দীর্ঘদিন ধরে ভোট দিয়েছেন, এমপি-এমএলএ বানিয়েছেন, সমস্ত কাজ করেছেন। আর এখন ওরা (বিজেপি) বলছে, নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির খারাপ হাল। মানুষ কাজ পাচ্ছেন না, উল্টো কাজ হারাচ্ছেন। যুব সমাজের কাছে কোনও দিশা নেই।’

তৃণমূলের এই নেত্রী বলেন, ‘৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গত ২১ বছর ধরে আমরা কোনও দিন কালিয়াগঞ্জ এবং খড়গপুর আসন জিততে পারিনি। এবার মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছেন। এটা মানুষের জয়। তাই মানুষকেই এই জয় উৎসর্গ করছি আমরা। মানুষের রায়ই বড় রায়, তার চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না।’

সূত্র: আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ