1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিশ্বকাপ খেলা দেখতে যাওয়ার পথে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ওপর গুলি, আহত ৪ সুইজারল্যান্ড সফর বাতিল করলেন জেডি ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি লঙ্ঘন করলে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের ইসরায়েলকে সতর্ক করে ভ্যান্স বললেন ‘আমরা ছাড়া তোমাদের আর কেউ নেই’ ডিপফেক বিতর্কে গুগল-মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে প্রীতি আনোয়ারায় দেশের প্রথম ফ্রি ট্রেড জোনের অনুমোদন নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

চাকরি দেওয়ার নামে যৌন হয়রানি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৪৮ Time View

‘মেয়ে মানুষ হলে কি কোনো কাজ করতে পারে না? একটা মেয়ের কি এমন পরিণতি হওয়া উচিত? আমি শুধু আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাই, আর কিছু চাই না। যাতে আর কারো সঙ্গে এমনটা না ঘটে।’ অনেক কষ্টে নিজের কষ্ট-ক্ষোভকে সামলে কান্নাভেজা কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ইট-পাথরের কঠিন শহরে চাকরির সন্ধানে এসে যৌন হয়রানির শিকার হওয়া এক নারী।

গত বুধবার যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে এক যুগ্ম সচিবসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে পিটিশন মামলা করেছেন ওই নারী। মামলার আসামিরা হলেন যুগ্ম সচিব আব্দুল খালেক (৫৩), অন্তর (৩৫), আবু বক্কর প্রধান (৪৫), রবিউল ইসলাম রবি (৩৮) ও মিল্টন (৪০)। থানা-পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় মূল অভিযুক্ত আব্দুল খালেক স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের (ইউপিইএইচডিপি) প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নির্যাতিতা ওই নারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকায় গেছিলাম আমার পরিবারটারে টানতে (চালাতে)। স্বামী থেকেও নাই। সাড়ে চার বছরের মেয়েটারে নিয়ে খুব কষ্টে আছি। তাই মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের গ্রামের বাড়ি থেকে কাজের জন্য গত মাসের (সেপ্টেম্বর) ১৪ তারিখ গুলিস্তানের এক কম্পানিতে দরখাস্ত করে চলে আসি। পরে ২১ তারিখ আবার গেলে অন্তর আর আবু বক্করের সঙ্গে পরিচয় হয়। তারা আমায় ভালো কাজ দিবে বলে সিদ্দিকবাজারের এলাহী ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যায়। বলে ভালো কাজ দিবে। এরপর খালেক নামে একজনের সঙ্গে দেখা করায়। কিছুক্ষণ পর আরো দুজন লোক আসে। আমি আমার পরিবারের সমস্যার কথা বলে একটা কাজের কথা বলি। এরপর খালেক ছাড়া বাকিরা রুম থেকে বের হয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। কেন দরজা বন্ধ করল জানতে চাইলে আমার জামা-কাপড় ছিঁড়ে খারাপ আচরণ করে। ভিতরে চিৎকার শুনে বাইরে থেকে অন্তরসহ অন্যরা আবার ভিতরে আসে, এরপর আমায় এক লাখ টাকা না দিলে মেরে ফেলার ভয় দেখায়। অন্যরা আবার বের হয়ে গেলে খালেক আমায় ইচ্ছামতো কিল, ঘুষি, লাত্থি মারে। পরে কোনোমতে ওই জায়গা থেকে বের হয়ে যাই।’

সেদিনের ঘটনার ভয়াবহতা উল্লেখ করে ওই নারী আরো বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারি না। ঘটনার পরে কয়েকজনের পরামর্শে সিদ্দিকবাজারের সোহরাব নামে এক ভাইয়ের মাধ্যমে সবার নাম-ঠিকানা জোগাড় করে বংশাল থানায় যাই। থানা থেকে নারী ও শিশু আদালতে মামলা করতে বলে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি দায়েরের পর তদন্ত করার জন্য বংশাল থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্ত করছেন বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মীর রেজাউল ইসলাম। মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আজই (শুক্রবার) হাতে মামলার নথি পেয়েছি। মামলার মূল অভিযুক্ত আব্দুল খালেকসহ অন্য আসামিদের কার কী পরিচয়, অভিযোগের ব্যাপারে কার কী ভূমিকা এবং ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে মামলায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের (ইউপিইএইচডিপি) প্রকল্প পরিচালক আব্দুল খালেক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আদালতে নালিশ হয়েছে। যে নালিশ করল জীবনেও তাকে দেখিনি। আমি কিছুই জানি না। আইনি নালিশ আমি আইনগতভাবেই মোকাবেলা করব।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ