1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৫ সেটের লড়াইয়ে সিনারকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে জোকোভিচ ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিই আধিপত্যবাদ মোকাবিলার একমাত্র সমাধান : নাহিদ ইসলাম ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপ সোমালিয়াতে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে তুরস্ক একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি : তারেক রহমান বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে গতি আনতে সমন্বিত সংস্কারে অগ্রগতি ধানের শীষের সাথে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানালেন তারেক রহমান

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জনগণ নৌকাকেই বেছে নেবে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৫৮ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। দেশের মানুষের ওপর আমার আস্থা আছে। তাদের সাংবিধানিক অধিকার আর কাউকে কেড়ে নিতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট আজ যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনে নেমেছে। তাদের আদর্শহীনতা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে! তারা কিসের লোভে দুর্নীতিবাজদের সাথে হাত মিলিয়েছে? অপরাধীদের উদ্ধার করতে নেমেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা?

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীরা কী করে মনোনয়ন পেলো? ঐক্যফ্রন্ট নেতারা তো দিকভ্রষ্ট, আদর্শহীন। এরা মানুষকে কিছু দিতে পারবে না। এদের কাছে দেশবাসীর চাওয়ারও কিছু নাই। মানুষ ভালো থাকলে তাদের ভালো লাগে না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে কোনো পরিবর্তনের কথা বলছেন তারা…? জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে দিয়ে পরিবর্তন? আর কোথায় স্বৈরাচারী অবস্থান দেখেন তারা?

২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকারের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ২০০১ এ ক্ষমতায় তারা জনগণের ভোটে আসেনি। তাই জবাবদিহিতাও ছিলো না জনগণের কাছে। সেজন্য খুন-হত্যা-লুট ও সন্ত্রাস করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছিলো বিএনপি-জামায়াত সরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ১০ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের কপালে যে দুর্নীতিগ্রস্তের তকমা ছিলো- তা দূর করা হয়েছে। মানুষের জীবনমানে আজ পরিবর্তন হয়েছে। তারা আজ আশাবাদী হতে পারে, আস্থার ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দল আমাদের সমালোচনা করবে এটাই স্বাভাবিক। তারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চেয়েও পারেনি। কেননা, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে মানুষ নৌকাকে বেছে নিয়েছিলো দেশের অগ্রগতির জন্য।

শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশের সত্যিকারের পরিবর্তন হয়েছে। দেশের সব ক্ষেত্রেই আজ উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। মানুষের যে সত্যিকারের উন্নয়ন, তা তো আওয়ামী লীগই এনে দিয়েছে। আমাদের লক্ষ্যই হলো- দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়া।

দেশের উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দারিদ্র্যমুক্ত হবে বাংলাদেশ-এটাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। কারণ আওয়ামী লীগ চায় দেশের হতদরিদ্র্য মানুষ স্বাবলম্বী হোক। তৃণমূলের মানুষ আজ সবচেয়ে বেশি উপকৃত।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা সরকার গঠন করবেন ভালো কথা। কিন্তু তাদের প্রধান কে হবেন- তা জানেন না তারা। দেশের মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ আমার বিশ্বাস, দেশের মানুষ ভুল সিদ্ধান্ত নেবে না। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যাতে কেউ থামিয়ে দিতে না পারে- সেজন্য আরো পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা প্রয়োজন আওয়ামী লীগের।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ