বিএনপির স্থায়ী কমিটি বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় দলের চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকে বসছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য জানান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নতুন করে আর সংলাপের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, “দুই নেত্রীর ফোনালাপের মাধ্যমে সংলাপ হয়ে গেছে। আমাদের নেত্রী বলেছেন সবর্দলীয় সরকারের
বিরোধীদলীয় নেতাকে গণভবনে বসার যে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, তা এখনো বহাল রয়েছে বলে সমঝোতার উদ্যোগ নেয়া ব্যবসায়ীদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বলেন, “বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেওয়া
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “সমঝোতার সুযোগ এখনো ফুরিয়ে যায়নি। রাজনৈতিক অহমিকা না দেখিয়ে খোলামনে আলোচনায় আসুন। সরকার সবসময় বিরোধী দলের সাথে আলোচনার জন্য প্রস্তুত আছে।” বৃহস্পতিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠকে বসেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বড় দুই দলকে সমঝোতায় রাজি করানোর চেষ্টায় এ বৈঠকে বসেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন “৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমরা এই সরকারকে নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্ববধায়কের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করবো।” ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার
ক্লাস-পরীক্ষাসহ সচল বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে ‘সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে সমাবেশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা ১২টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি
বিরোধী দলকে শর্তহীন সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, “সর্ব দলীয় সরকারের প্রবেশ পথ এখনো খোলা আছে। যে মন্ত্রণালয় চান দেওয়া হবে। শর্ত দেবেন না, হরতাল ডাকবেন
চাঁদপুর সদর উপজেলার বহরিয়া এলাকায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবারের সংঘর্ষের জের ধরে বুধবার সকালে বহরিয়া এলাকায় বিএনপি ও আওয়ামী
সংবিধান সমুন্নত রাখতে জানুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগ বাধ্য বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, “আগামী জানুয়ারিতেই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে