1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন করে কোটি টাকার বাণিজ্য নিয়ম মানলে অধিকাংশ ব্যাংক বিলুপ্ত হতো, ভালো ৪-৫ ব্যাংক থেকে অন্যদের শিখতে হবে: মাহবুব উল্লাহ মানবতাবিরোধী অপরাধে মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড ভুয়া ফেসবুক আইডি নিয়ে সতর্ক করলেন ঐশী আলোকস্বল্পতায় খেলা থামার আগে বাংলাদেশের হতাশার আরেক সেশন রোমেরোর মতে মেসির ১০ নম্বর জার্সির যোগ্য উত্তরসূরি আলভারেজ জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এশিয়া কাপ আর্চারি: ইরাকে বন্যা-শ্রীপর্ণা-মনির সোনা জয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন ৮ সিদ্ধান্ত সরকারের, প্রজ্ঞাপন জারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঝালকাঠিতে জাল নোটসহ নারী গ্রেপ্তার

জম্মু ও কাশ্মীরে বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়েছে ভারত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০১৯
  • ৫০ Time View

জম্মু ও কাশ্মীরে বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়েছে ভারত। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার রাজ্যসভায় এসংক্রান্ত নতুন বিলের প্রস্তাব করেন। বিল অনুসারে উপত্যকায় আর প্রযোজ্য হবে না ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা।

ভারতীয় সংবিধানের ৩৫-এ ধারার আদ্যোপান্ত

১. ১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এই ধারাটি।

২. এই ধারায় জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বিশেষ অধিকার দেওয়া হয়।

৩. এই ধারা অনুযায়ী জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা স্থির করতে পারত রাজ্যের ‘স্থায়ী বাসিন্দা’ কারা এবং তাঁদের বিশেষ অধিকার কী হবে?

৪. কেবল স্থায়ী বাসিন্দারাই ওই রাজ্যে সম্পত্তির মালিকানা, সরকারি চাকরি বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়ে আসছিলেন।

৫. রাজ্যের বাসিন্দা কোনো নারী রাজ্যের বাইরের কাউকে বিয়ে করলে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হতেন। তাঁর উত্তরাধিকারীদেরও সম্পত্তির ওপর অধিকার থাকত না।

জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৫-এ ধারার গুরুত্ব কোথায়?
১৯২৭ ও ১৯৩২-এ করদ রাজ্য (প্রিন্সলি স্টেট) জম্মু ও কাশ্মীরে স্থায়ী বাসিন্দা আইন চালু হয়েছিল। চালু করেছিলেন তৎকালীন শাসক মহারাজা হরি সিং। ১৯৪৭-এর অক্টোবরে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন হরি সিং।

ডোগরার রাজাদের শাসনকালের মেয়াদ শেষে কাশ্মীরের আধিপত্য দখল করেন শেখ আবদুল্লাহ। ১৯৪৯-এ নয়াদিল্লির সঙ্গে আবদুল্লাহর আলোচনার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা (সংবিধানের ৩৭০) দেওয়া হয়।

বিশেষ মর্যাদার সুবাদে প্রতিরক্ষা, বিদেশ এবং যোগাযোগ- এই তিন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আইন প্রযোজ্য ছিল না উপত্যকায়।

তবে ১৯৫২ সালে প্রধানমন্ত্রী নেহরু ও আবদুল্লাহর মধ্যে চুক্তির ভিত্তিতে ভারতীয় সংবিধানের বহু আইনই সেখানে প্রযোজ্য হয় এবং ৩৫-এ ধারাও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়।

এর অনেক পরে ২০০২ সালে জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে বাতিল হয় ৩৫-এ ধারায় নারীদের সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার আইন। ওই ধারা অনুযায়ী, রাজ্যের বাসিন্দা কোনো নারী রাজ্যের বাইরের কাউকে বিয়ে করলে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। তাঁর উত্তরাধিকারীদেরও সম্পত্তির ওপর অধিকার থাকে না। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে বিয়ের পরও অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না নারীরা। তবে তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তির ওপর অধিকার থাকবে না।

৩৫-এ ধারার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হন এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ বেশ কয়েকজন আবেদনকারী।
সূত্র : এই সময়, ভারত

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ