1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ পাঠানোর নিয়ম সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যা: জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার রাজশাহীতে খাবার ও কেনাকাটায় যুক্ত হল ফুডি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নজরে রাখছে ভারত: জয়সোয়াল সরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় দাম বাড়ানো ব্যবসা বাড়াতে ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া ‘এক্সপোর্ট মনিটরিং’ নিয়ে এসবিএসি ব্যাংকে কর্মশালা খুলনায় ৫ নভেম্বর বসছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২’র বড় আসর মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনার প্রথম দল ঘোষণা

সৌদির সঙ্গে আলোচনায় ইরানের; বিদেশি সেনামুক্ত আঞ্চলিক নিরাপত্তার আহ্বান আরাঘচির

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

বিদেশি সামরিক উপস্থিতিমুক্ত এবং অঞ্চলটির দেশগুলোর নেতৃত্বে নতুন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের আলোচনা চলছে। আজ (মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ তথ্য জানিয়েছেন। আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ‘উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোর প্রতি আমাদের কোনো শত্রুতা নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘কাতার ও ওমানের ইতিবাচক ভূমিকার আমরা প্রশংসা করি এবং সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছি।’

আরাঘচি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো যেকোনো বিদেশি সামরিক উপস্থিতি থেকে দূরে থেকে অঞ্চলটির দেশগুলোর নিজেদের তৈরি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পৌঁছানো।’

এর আগে সোমবার দোহাভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি জানান, সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের তেহরান সফরের সময় ওই তিন দেশের সঙ্গে নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছে ইরান।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ওপর এই আলোচনায় জোর দেয়া হয়েছে।’ চারটি দেশ বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘বন্ধুপ্রতিম উপসাগরীয় দেশগুলোকে’ লক্ষ্যবস্তু বানানোর কোনো ইচ্ছা তেহরানের নেই। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটন আবারও ইরানে হামলা চালালে পাল্টা জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে অঞ্চলটিতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

নতুন করে সংঘাত এড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে সহায়তা করার আহ্বান জানান আরাঘচি। একই সঙ্গে তিনি কাতারের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এবং ওমান ও সৌদি আরবের অবস্থানের প্রশংসা করেন।

সাক্ষাৎকারে কাতারের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার একটি প্রস্তাবের রূপরেখাও তুলে ধরেন ইরানের শীর্ষ এই কূটনীতিক। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে তেহরানের দাবি করা একগুচ্ছ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করবে এবং এর পরদিনই জলপথটি খুলে দেয়া হবে।

আরাঘচি বলেন, ‘ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের পর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধ সমাপ্ত করা, ইরানের তেল রপ্তানির অনুমতি দেয়া, জব্দ করা ইরানি সম্পদ ছাড় করা এবং অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আগের পর্যায়ে কমিয়ে আনা।’

তিনি বলেন, ‘এসব শর্ত বাস্তবায়ন করা হলে যেদিন প্রণালিটি পুনরায় খোলা হবে, সেদিনই ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার পথ তৈরি হতে পারে।’

আরাঘচি জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় নিউ ইয়র্কে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে এক দফা পরোক্ষ আলোচনা করেছে ইরান। তবে কাতার, তুরস্ক বা অন্য কোথাও সরাসরি আলোচনায় বসার বিষয়ে কোনো সমঝোতা হওয়ার খবর তিনি অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, ‘ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যতের যেকোনো চুক্তির চেয়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার আলোচনাকে আলাদাভাবে দেখে তেহরান।’ পরমাণু ইস্যুসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো এখনো বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধের পর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগের মধ্যেই এসব মন্তব্য এল।

এর আগে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, ইরানের সংশোধিত সাত ধাপের কূটনৈতিক প্রস্তাবটি দুই দিনের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের নৌ-অবরোধ তুলে নেয়া এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ করা সম্পদ ছাড়সহ ইরানের দাবিগুলো পূরণের ওপর। তেহরান বরাবরই বলে আসছে যে তারা কূটনীতির পথ খোলা রেখেছে, তবে নতুন করে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের জবাব দিতে তাদের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ