1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘কাঙ্ক্ষিত দাম মেলেনি’, ‘সোনার ডিম’ আবুধাবিতে ফেরানোর চেষ্টা আটকালেন গোয়েন্দারা যুক্তরাষ্ট্রে কৌশল শিখে ঢাকায় মাদকের ল্যাব পরিচালনা, যুবক গ্রেপ্তার শাহ আমানতের নিরাপত্তা দেখতে চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দল জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭ নভেম্বর জাতীয় পতাকা উত্তোলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা বাড়াতে চায় আলজেরিয়া তিন মাসের বকেয়াসহ নতুন পে-স্কেলে বেতন পেলেন সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীরা নীতিগত বিচ্যুতির অভিযোগ এনে এনসিপি নেতার পদত্যাগ ছেলের এইচএসসি পাসের পর পদ হারালেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মধ্যরাতে দীপিকার বাড়িতে ভৌতিক কাণ্ড, রহস্য জানালেন অভিনেত্রী

যেখানে গুম হওয়ার আতঙ্কে মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৫৫ Time View

বুরুন্ডিতে নির্যাতন ও খুন অনেকটা নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিন মৃতদেহ 6পাওয়া যাচ্ছে রাস্তায় কিংবা নদীতে। কেউ জানে না কারা, কেন এই খুনগুলো করছে, কিন্তু তাদের সন্দেহ নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে ঘিরে। এক ধরনের ভয় চেপে ধরে আছে সেখানকার মানুষকে। যখন-তখন গুম হয়ে যাচ্ছে মানুষ।
স্বাধীন গণমাধ্যম এখানে নীরব। সামাজিক মাধ্যম আর টেক্সট মেজেসের মাধ্যমে এখানে খবর ছড়ায়। এসওএস মিডিয়া হল এমন একটি ফেসবুক গ্রুপ, এদের ফরাসী ভাষার ওয়েবসাইটে গেলে দেখা যায় হত্যাকাণ্ডের শিকার অনেকের ব্যাপারে তথ্য ও ছবি শেয়ার করেছে।
শুধু ওয়েবসাইট ঘাঁটলেই দেখা যায়, কত বিশাল সংখ্যক মানুষ খুন হয়েছে।
এসওএস মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি জানান, অনেক মানুষ খুন হয়েছেন। আপনি যদি আপনার প্রিয় মানুষের মৃতদেহ খুঁজে পান, তাহলে আপনি ভাগ্যবান। সম্প্রতি একজনকে হত্যা করে হৃৎপিণ্ড বের করে নেয়া হয়েছে।
যার হৃৎপিণ্ড বের করে নেয়া হয়েছে বলে জানা যায় তার নাম এনডিমিরা এলওয়া। তার কবরে ফুল দিচ্ছিলেন তাঁর একজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়।
তিনি জানান, এলওয়ার বয়স ছিল ৫৩। লাঠি নিয়ে হাঁটতেন। একদিন বাড়ি ফেরার সময় তিনি একদল পুলিশকে দেখেন কাউকে খুন করার হুমকি দিচ্ছে। তিনি বাধা দিলে পুলিশ তাঁর ওপর চড়াও হয়। এরপর পুলিশ তাকে প্রথমে লাঠি দিয়ে পেটায়, পরে গুলি করে মারে। তার মৃতদেহ পরিষ্কার করার সময় দেখি তাঁর হৃৎপিণ্ড বের করে নেয়া হয়েছে।
কিন্তু এমন ঘটনা কেন ঘটলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা রাজনীতির কারণে ঘটেনি। তিনি রাজনীতি করতেন না, সাম্প্রতিক কোন বিক্ষোভে অংশ নেননি।
এটা গোষ্ঠীগত কারণেও ঘটেনি। যেমনটা ঘটেছিল প্রতিবেশী রোয়ান্ডায় ১৯৯০-এর দশকে টুটসি ও হুতুদের মধ্যে। এটা ঘটেছে সরকারের ভয় দেখিয়ে বশে আনার চেষ্টার কারণে।
রাস্তার বিক্ষোভ শুরু হয় গত এপ্রিল মাসে, যখন প্রেসিডেন্ট পিয়ের এনকুরুনজিজা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তখন একটি সেনা অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়। কঠোরভাবে দমন করা হয় সব রকমের বিক্ষোভ।
পুলিশ এবং রাষ্ট্রীয় মিলিশিয়াকে বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের জন্যে অভিযুক্ত করা হয়। আছে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগও।
বুরুন্ডিতে সংঘাতের ইতিহাস রয়েছে। সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো আতঙ্ক ছড়ালেও তা অবশ্য এখনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে রূপ নেয়নি। তবে আশঙ্কা রয়েছে, এসব চলতে থাকলে পুরনো এবং গভীর বিভক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ