1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধের মধ্যে তৃতীয় প্রান্তিকে আরামকোর মুনাফা বেড়েছে ৯ শতাংশ ইমার্জিং ট্রফিতে পূর্ণ শক্তির দল ঘোষণা বাংলাদেশের, নতুন অধিনায়ক নাহিদা আইপিএলে খেলা নিয়ে মুখ খুললেন মোহাম্মদ আমির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সিডনিতে বাংলাদেশ উইমেন্স ফোরামের বসন্ত উৎসব তরুণদের বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকা ঋণের আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে বুড়িগঙ্গা থেকে সুন্দরবন: পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার বনাম বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই বিদায় বললেন ম্যাক্সওয়েল রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪৯, মামলা ৫৭ সোলার এক্সপোর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি ইস্যুতে আমাকে ডাকা হয়নি: আসিফ নজরুল

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৭ Time View

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলোতে আমাকে কোনো দিনও ডাকা হয়নি। কারণ সেটা আমার এরিয়া কনসার্ন না। ইকোনমিক, ব্যাংকিং ও এনবিআর ইস্যুতে যে আলোচনা করা হয়েছে, সেখানেও আমাকে ডাকা হয়নি। সেটা স্যার (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) কনসার্ন কয়েকজন উপদেষ্টাদের নিয়ে বসতেন।

লিগ্যাল (আইন) ইস্যুতে আমাকে ডাকা হতো। পলিটিক্যাল ও সংস্কার ইস্যুতে আমাকে ডাকা হতো। এমন অনেক বড় বড় ইস্যু—যেখানে যাকে প্রয়োজন, সেখানে স্যার তাকে ডাকতেন।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন আসিফ নজরুল।

সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের পুরো সময়ে আলোচনায় ছিল সরকারের মধ্যে আর একটা সরকার ছিল। একটা কিচেন কেবিনেট ছিল। সেই কিচেন কেবিনেটের সদস্য আপনিও ছিলেন, এ ধরনের অভিযোগ আছে। প্রশ্ন শুনে আসিফ নজরুল সাফ জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তাকে ডাকেননি ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্টো প্রশ্ন রেখে আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন সরকারের আমলে কিচেন কেবিনেট ছিল না? এ সময় সাবেক এই উপদেষ্টা আরো বলেন, কিচেন কেবিনেটের সদস্য কেউ না কেউ কোনোভাবে ছিল। যারা দু-একজন হয়তো ছিল না, তারা হয়তো ওই বিষয়ে এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ না, এ জন্য তাদের রাখতেন না।

এ বিষয়ে সাবেক এক উপদেষ্টার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছি, ওই উপদেষ্টা বলেছেন— ইউনূস সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় তিনি ছিলেন না। তবে উনি লেবার ‘ল’-এর বিষয়ে যতগুলো সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেই আলোচনায় উনিই ছিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং প্রত্যেকটা বিষয়ে তিনিই বেশি সিদ্ধান্ত নিতেন। এরপর ইলেকশন কমিশন যখন ইলেকশন ‘ল’ ড্রাপ্টটা নিয়ে এলো, তখন উপদেষ্টারা মিলে আলোচনায় বসলাম।

তখন আমাদের অবজারভেশন কী কী আছে সেটা আপনিই বলেন। তখন ওই উপদেষ্টাকে বেশি বলতে বলা হয়েছিল। কারণ তার ইলেকশন বিষয়ে বেশি অভিজ্ঞা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ