1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে: নৌমন্ত্রী তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী সূচকের বড় পতনে ডিএসইর লেনদেন কমলো স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ৪ হাজার ৪৩২ টাকা হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৪৪০ বাংলাদেশি সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে রাজস্ব সংগ্রহে রেকর্ড, ১১ মাসে আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা লেবানন থেকে ইসরায়েল সেনা না সরালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবরকম আলোচনা বন্ধ করে দেওয়া হবেহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো কাতার, নিখোঁজ ১৮ বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পেল মিসর

মোদি-মমতার দ্বন্দ্বেই আটকে আছে তিস্তা চুক্তি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ৮২ Time View

পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ভালোর দিকেই যাচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের জন্য এটা ভালো সময় নয়। কেননা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধ রয়েছে। তাদের এই বিরোধের কারণেই তিস্তা চুক্তি আটকে আছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশেষ করে মোদি এবং মমতার মধ্যে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। অতীতেও তাদের এই দ্বন্দ্বের কারণেই ঢাকার সঙ্গে দ্বীপাক্ষিক সম্পর্কে বেশ প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্চে ভারতে সফর করবেন। গত বছরের ডিসেম্বরে এই সফর হওয়ার কথা ছিল। এর আগে ২০১৫ সালের জুনে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশে সফর করেছিলেন মমতা। সেসময় তিস্তা পানি বন্টন এবং গঙ্গা ব্যারেজ এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানোর কথা ছিল।

কিন্তু এই দু’টি প্রজেক্টের কোনটিই আলোর মুখ দেখতে পারেনি। সে সময় নয়াদিল্লি এবং ঢাকার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই চুক্তি আটকে রেখেছে।

ধারণা করা হয়, তিস্তা চুক্তি মমতার রাজনীতিতে আঘাত করতে পারে বলে তিনি এই চুক্তি থেকে সরে এসেছেন। কেননা তিনি ক্ষমতা গ্রহণের আগের বছরগুলোতেও এ বিষয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। গঙ্গা ব্যারেজে পশ্চিম বঙ্গের একগুয়েমি মনোভাবও খুব একটা বোধগম্য নয়। অথচ এই ব্যারেজ রাজ্যের সেচ ও পানি সংরক্ষণে সহায়তা করবে।

এর আগে ২০১১ সালে বাংলাদেশে সফরের সময় তিস্তাচুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার শেষ মুহূর্তেই ওই চুক্তি বাতিল করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ