1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আমরা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি আর দেখতে চাই না : জামায়াত আমির বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিষ্ঠিত দল : সালাহউদ্দিন আহমদ ৫ সেটের লড়াইয়ে সিনারকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে জোকোভিচ ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিই আধিপত্যবাদ মোকাবিলার একমাত্র সমাধান : নাহিদ ইসলাম ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপ সোমালিয়াতে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে তুরস্ক একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি : তারেক রহমান

এবার কম্পিউটার কিনলে ৪ শতাংশ ভ্যাট

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৯৩ Time View

কম্পিউটার ও কম্পিউটার পণ্যে এখন থেকে ৪ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) asduahsdaদিতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সবচেয়ে বড় কম্পিউটার বাজার রাজধানীর বিসিএস কম্পিউটার সিটি এবং এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান কম্পিউটার সিটির দোকানগুলোতে পাঠিয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কম্পিউটার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানেও ভ্যাট আদায়ের এই চিঠি পাঠানো হবে।
১৯৯৮-৯৯ সালে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের জন্য কম্পিউটার পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকেই দেশে কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে খুচরা বিক্রির সময় পণ্যের সঙ্গে বাড়তি মূসক এখন পর্যন্ত যোগ করা হয়নি।
কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা জানান, মূসক আরোপ করা না হলেও ‘প্যাকেজ মূসক’ হিসেবে প্রত্যেক ব্যবসায়ী বছরে ১১ হাজার টাকা এনবিআরকে দিয়ে আসছিলেন। তবে এর পরিবর্তে এখন থেকে ৪ শতাংশ হারে মূসক দিতে হবে।
এ ব্যাপারে মিরপুর বিভাগের সহকারী কমিশনার (কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট) নির্ঝর আহমেদ গতকাল রবিবার বলেন, ভ্যাট প্রদান করবে ক্রেতা। সেটা সংগ্রহ করে গ্রহীতা হিসেবে কোষাগারে জমা দেবেন বিক্রেতা। এ ক্ষেত্রে এই ভ্যাট কম্পিউটার ক্রেতাকে দিতে হবে। তবে এটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এখানে আইনি বিষয়, ভোক্তার অধিকার ইত্যাদি বিষয় রয়েছে।
কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতা পর্যায়ে ৪ শতাংশ মূসক আরোপ হলো ৩০ হাজার টাকার একটি ল্যাপটপ কিনতে ক্রেতাকে আরও ১ হাজার ২০০ টাকা মূসক দিতে হবে। শূন্য শতাংশ শুল্ক থাকায় প্রতিযোগিতামূলক দামে কম্পিউটার পণ্য বিক্রি হয়। ক্রেতা ১০০ বা ২০০ টাকা কম পাওয়ার জন্য একাধিক দোকানে ঘুরতে থাকেন। সেখানে বাড়তি ভ্যাট ক্রেতাদের নিরুৎসাহিত করবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মহাসচিব নজরুল ইসলাম।
নতুন করে ভ্যাট সংগ্রহের এ উদ্যোগ বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণার বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে বলে মন্তব্য করলেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, কতগুলো জায়গাকে রাজস্ব খাত হিসেবে দেখা ঠিক নয়। ডিজিটাল পণ্য ছাত্ররা কেনে, স্কুল-কলেজে কম্পিউটার দরকার তাই এসব পণ্যে ভ্যাট আরোপ করা ঠিক হবে না। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট দেশের জিডিপি বাড়াতে সাহায্য করে। কোনোভাবেই ৪ শতাংশ ভ্যাট আরোপ গ্রহণযোগ্য নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ