1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সংকটাপন্ন বেসরকারি ব্যাংকে বিপিসির ৪,৮১৩ কোটি টাকা আমানত, অনিয়ম তদন্তে কমিটি হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন শেষে এগিয়ে বাংলাদেশ বরিশালে উপমহাদেশের বৃহত্তম শ্মশান দীপাবলি উৎসব উদযাপিত রাতে মাঠে নামছে রিয়াল মাদ্রিদ, ফ্রিতে যেভাবে দেখবেন খেলা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির পদে পরিবর্তন, দায়িত্বে হাফিজ উল্লাহ গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে আসার পথে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু ব্যাটারদের রাজত্বের দিন সুবিধাজনক অবস্থানে সিলেট-ময়মনসিংহ রাজশাহীতে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন শপথ নিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমির

হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন শেষে এগিয়ে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৯ Time View

সিলেট টেস্টে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয়ের ক্যারিয়ারসেরা ২৪২ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩০ রানের লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৭ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে দিন শেষে ২৩ রানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

দিনের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ চাপে পড়ে বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান হৃদয়। সতীর্থদের কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে দলকে টেনে তোলেন তিনি।

৩৫৯ বলের ইনিংসে ২২টি চার ও ১১টি ছক্কা হাঁকান হৃদয়। তাঁর ২৪২ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এর আগে এই রেকর্ড ছিল মুশফিকুর রহিমের দখলে। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ২১৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিক। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন হৃদয়।

তবে এই রেকর্ড গড়ার পথটা মোটেও সহজ ছিল না। দিনের শুরুতে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মুশফিক ৩৪ এবং লিটন ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ ও হাসান মাহমুদ ১ রান করে বিদায় নেন। ফলে বাংলাদেশের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

কিন্তু হৃদয়কে দারুণভাবে সঙ্গ দেন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা। বিশেষ করে তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান তিনি। তাইজুলের সঙ্গে তাঁর ১১৭ রানের জুটি বাংলাদেশকে ৩০০ রানের গণ্ডি পার করতে সাহায্য করে। তাইজুল ২২ রান করে আউট হলেও থামেননি হৃদয়।

এরপর তাসকিনকে নিয়ে চালিয়ে যান লড়াই। তাঁর সঙ্গে গড়ে তোলেন আরও গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তাসকিনের ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। শেষ পর্যন্ত অন্য প্রান্তে আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার না থাকায় অপরাজিত থাকতে হয় হৃদয়কে। তাঁর ব্যাটে ভর করেই ৯ উইকেটে ৩৮৬ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। চোটের কারণে সাদমান ইসলাম ব্যাট করতে নামতে পারেননি।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫৬ রান সংগ্রহ করেছিল। ফলে হৃদয়ের অসাধারণ ইনিংসে ৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ২৬৮ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে তৃতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়িয়ে লিড নেওয়া নিঃসন্দেহে দলের জন্য বড় অর্জন। এখন চতুর্থ দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত অলআউট করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়াই বাংলাদেশের লক্ষ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ