1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের শুভ উদ্বোধন কক্সবাজারে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি জুম্মার নামাজ শেষে কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময় ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে: নাহিদ ইসলাম ৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: কোন ইউনিটে কবে ইবিতে জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত

সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ Time View

১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দিবসটি উপলক্ষে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকেও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’

সর্বদা ইতিহাস চর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়, একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল, যারা দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস এবং সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরবকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছে।

ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল, জনগণের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল।

হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে, বাণীতে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ববিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য।’

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তার ভাষ্য, ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি জনতার বিপ্লব, ৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২৪-এর ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান, এভাবে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব কিংবা অভ্যুত্থানের একটাই আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সবাইকে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ।

তিনি জানান, ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদ্যাপন উপলক্ষে সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ