বন্ধ কারখানা চালু করতে সরকারের গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের নাম ও কিছু শর্ত পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে স্কিমটি ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ নামে পরিচিত হবে।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিআরপিডি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি [সার্কুলার](https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/nov052026brpd-1l37.pdf) জারি করা হয়েছে।
সার্কুলারে বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-১৩ (৪ আগস্ট ২০২৬), বিআরপিডি-৩ সার্কুলার লেটার নং-০১ (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এবং সার্কুলার লেটার নং-০২ (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬)-এর অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সার্কুলার লেটারে স্কিমটির বিভিন্ন অনুচ্ছেদে সংশোধন আনা হয়েছে। স্কিমের নাম এখন থেকে ‘প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর পরিবর্তে ‘পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ ব্যবহৃত হবে।
বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের যেসব গ্রাহক প্রত্যাশী, তাদের মধ্যে যারা ব্যাংকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট পাননি, তাদের জন্য বিষয়টি প্রযোজ্য হবে।
কারখানার জমি-জায়গা, ভবন বা মেশিনারিজ-সংক্রান্ত নির্দিষ্ট শর্ত ব্যাংক থেকে একটি ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।
ঋণগ্রহীতা যে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করবেন, সেই ব্যাংকে ঋণ পরিশোধের লেনদেন একটি এসক্রো অ্যাকাউন্ট বা রেভিনিউ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। এ-সংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুসারে সংরক্ষণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বোর্ড বা নির্বাহী কমিটি ঋণ অনুমোদনের পর পরবর্তী সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে না পারলে যথাযথ কারণ উল্লেখ করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন দাখিলের সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সম্পাদিত অংশগ্রহণমূলক চুক্তিতেও (পার্টিসিপেশন এগ্রিমেন্ট) প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।