1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় বন্ধ থাকবে ব্যাংক টানা ৫ দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, বজ্রপাতের শঙ্কা এক সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ডের গেজেট প্রকাশ: শ্রমমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে: হুমায়ুন কবির উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-জাপান ৬ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান রাজধানীতে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ ১৫ নভেম্বর ট্রাস্ট ব্যাংকের সেবা এখন বিকাশ অ্যাপে

মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর পূর্ণ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ Time View

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে একজন ইমামের নেতৃত্বে নামাজ আদায়ের ১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯২৬ সালে বাদশাহ আবদুল আজিজ কীভাবে পৃথক জামাতে নামাজ আদায়ের প্রথা বন্ধ করে মসজিদুল হারামে ঐক্যবদ্ধ জামাতের ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তা তুলে ধরা হয়েছে এ প্রতিবেদনে।

বহু শতাব্দী ধরে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে নামাজ আদায়ের জন্য চারটি পৃথক স্থান ছিল। প্রতিটি মাজহাবের অনুসারীরা নিজ নিজ ইমামের পেছনে পর্যায়ক্রমে নামাজ আদায় করতেন।

সাধারণত শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারীরা প্রথমে নামাজ আদায় করতেন। এরপর পর্যায়ক্রমে হানাফি, মালেকি ও হাম্বলি মাজহাবের অনুসারীরা নামাজ পড়তেন। এর ফলে হারামে একই ওয়াক্তের নামাজ দিনে একাধিকবার পৃথক জামাতে আদায় করা হতো।

কয়েক শতাব্দী ধরে এভাবে একাধিক জামাতে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা চালু ছিল। হিজরি পঞ্চম ও ষষ্ঠ শতকের দিকে এ প্রথার সূচনা হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক পর্যন্ত বিভিন্ন শাসকের আমলে এ ব্যবস্থা অব্যাহত ছিল।

তৎকালীন পর্যটক ও ইতিহাসবিদেরা তাঁদের বিবরণে উল্লেখ করেছেন, প্রত্যেক মাজহাবের অনুসারীরা তাঁদের জন্য নির্ধারিত পৃথক স্থানে সমবেত হয়ে আলাদাভাবে নামাজ আদায় করতেন।

১৯২৬ সালের ২৭ অক্টোবর বাদশাহ আবদুল আজিজ এ প্রথা বন্ধের নির্দেশ দেন। হিজাজ ও নাজদ অঞ্চলের আলেমদের সঙ্গে বৈঠকের পর সবাইকে একজন ইমামের পেছনে একত্রে নামাজ আদায়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর ফলে পৃথক নামাজের স্থানগুলো বিলুপ্ত করা হয় এবং একই ওয়াক্তে একাধিক জামাতে নামাজ আদায়ের প্রথার অবসান ঘটে।

এরপর থেকে মসজিদুল হারামে প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজ একটি জামাতেই আদায় করা হয়। সেখানে একই নামাজের জন্য একাধিক জামাত বা মাজহাবভিত্তিক পৃথক নামাজের স্থান নেই।

একজন ইমাম একসঙ্গে সব মুসল্লির নামাজে ইমামতি করেন এবং মুসল্লিরা ঐক্যবদ্ধভাবে একই কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন। একাধিক যোগ্য ইমাম পর্যায়ক্রমে ইমামতির দায়িত্ব পালন করলেও একই ওয়াক্তের নামাজে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয় না।

এই ব্যবস্থা মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবিদের নামাজ আদায়ের পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসল্লিরা একজন ইমামের পেছনে একত্র হয়ে জামাতে নামাজ আদায় করতেন।

১৯২৬ সালের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কয়েক শতাব্দী ধরে চলে আসা বিভক্তির অবসান ঘটিয়ে সেই প্রাথমিক রীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়।

গত ১০০ বছর ধরে একই ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো মুসল্লি পবিত্র মসজিদুল হারামে একই জামাতে ঐক্যবদ্ধভাবে নামাজ আদায় করেন।

পবিত্র মসজিদুল হারামের প্রাথমিক সৌদি প্রশাসনামলে গৃহীত দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারগুলোর মধ্যে এই ঐক্যবদ্ধ জামাতের ব্যবস্থা অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ