1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

‘২৮ অক্টোবর জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করতে বিএনপির একটি অংশ অবশ্যই জড়িত ছিল’

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫২ Time View

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে লগি-বৈঠার তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে রাজপথে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্রে তৎকালীন জোট সরকারের প্রধান শরিক বিএনপির একটি অংশ অবশ্যই জড়িত ছিল বলে বিস্ফোরক মন্তব্য চাপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বর্বরতা সত্ত্বেও নয়াপল্টন থেকে কোনো ধরনের সহায়তা না দিয়ে জামায়াতকে ফাঁদে ফেলে ধ্বংস করার চক্রান্ত হয়েছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

সংসদ সদস্য বলেন, ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ছিল পৈশাচিকতা ও বর্বরতার এক কালো অধ্যায়। সেদিন বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সকাল ৮টা-৯টা থেকেই জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা লগি-বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অথচ একই জোট সরকারের অংশ হয়েও নয়াপল্টনে বিএনপি আলাদা সমাবেশ ডেকেছিল। কেন সেদিন দুটি দলের সমাবেশ এক জায়গায় হলো না? কেন সারাদিন উত্তর গেটে আমাদের নেতাকর্মীরা জীবন বাজি রেখে লড়াই করলেন, রক্ত দিলেন, শহীদ হলেন; অথচ মাত্র কয়েক গজ দূরে নয়াপল্টনের অফিস থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতার হাত বাড়ানো হলো না?’

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘পুরো বিএনপি এই চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও, তাদের একটি সুবিধাভোগী অংশ অবশ্যই আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল। সেদিন যারা নিশ্চুপ দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল, আজ তাদের আসল রূপ জনগণের কাছে উন্মোচিত হতে শুরু করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একই বিএনপি আজ আবারও জামায়াতকে কোণঠাসা ও নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সেদিনও জামায়াত রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিল, আর বিএনপি মাঠ ছেড়ে পালিয়েছিল।’

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে কোনো ষড়যন্ত্র বা রক্তচক্ষু দেখিয়ে স্তব্ধ করা যাবে না। তিনি অবিলম্বে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন ট্র্যাজেডি, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আলেম নিধন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত সব গণহত্যার বিচার দ্রুত ট্রাইব্যুনালে নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ