একসময় পাট কাটার পর মাঠে পড়ে থাকা পাটখড়ি ছিল কৃষকের কাছে প্রায় মূল্যহীন। জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার ছাড়া এর তেমন কোনো বাজারও ছিল না। সেই পাটখড়িই এখন মেহেরপুরের কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে। পাটের দাম নিয়ে প্রত্যাশা সবসময় পূরণ না হলেও পাটখড়ি বিক্রি করে উৎপাদন খরচের একটি বড় অংশ তুলে নিতে পারছেন কৃষক। চাহিদা বাড়ায় তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাজার ও ব্যবসা।
জেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় পাটচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেহেরপুরে এক বিঘা জমিতে পাট আবাদে কৃষকের খরচ হয় প্রায় ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকা। ওই জমিতে গড়ে ১০ থেকে ১২ মণ পাট উৎপাদন হয়। বর্তমানে প্রতি মণ পাট প্রায় ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ পাট বিক্রি করে এক বিঘা জমি থেকে কৃষকের আয় হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে একই জমির পাটখড়ি মানভেদে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ফলে পাটের সঙ্গে পাটখড়ির অর্থমূল্যও কৃষকের মোট আয় বাড়াচ্ছে।