1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে বিটুবি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা ডেঙ্গু আক্রান্তে শীর্ষে পিরোজপুর, হাসপাতালের মেঝেতে চলছে চিকিৎসা যুবলীগকর্মীকে ধরতে বাসায় অভিযান, না পেয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার নতুন চুক্তি করলেন নুসরাত ফারিয়া ইউরোপিয়ান ফুটবলে শনিবার রাতে যা হয়েছে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে আইইডিসিআর গবেষণার অনন্য মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এশিয়ান গেমসে প্রথম ম্যাচে ১৩ গোল হজম করল বাংলাদেশ শেফালির তাণ্ডবে গুঁড়িয়ে গেল বাংলাদেশের সোনার পদকের আশা শেয়ারবাজারে বড় উত্থান, এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন

শেফালির তাণ্ডবে গুঁড়িয়ে গেল বাংলাদেশের সোনার পদকের আশা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

শেফালি ভার্মার ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারল না বাংলাদেশ, সোনার পদকের আশা হারিয়ে এখন ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নিগার সুলতানার দল।

শতরানের পর শেফালি ভার্মার উদযাপন। ছবি: বিসিসিআই।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

দুই দলের শক্তি-সামর্থ্য আর সাম্প্রতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ ছিল পাহাড়সম। সেই চ্যালেঞ্জ জয়ের কোনো তাড়না বা স্কিল, কিছুই দেখা গেল না শরীরী ভাষা কিংবা পারফরম্যান্সে। বরং অসহায় আত্মসমপৃণই মেনে নিল নিগার সুলতানার দল। ব্যাটে-বলে আরও একটি দাপুটে জয়ে সোনার পদক ধরে রাখার শেষ ধাপে পৌঁছে গেল ভারত।

এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটের সেমি-ফাইনালে বাংলাদেশকে ১১৪ রানে গুঁড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় এটি। আগের সবচেয়ে বড় জয়টি ছিল ৭৯ রানে।

দিন দশেক আগে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সেমি-ফাইনালেও বাংলাদেশকে সহজে হারিয়েছিল ভারত। সেদিন ঝড়ো ফিফটিতে ম্যাচ-সেরা হওয়া শেফালি ভার্মা এবার নিজেকে ছাড়িয়ে যান আরও। ব্যাটিং তাণ্ডবে প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করেন তিনি ৪৯ বলে। বাংলাদেশের আশা পিষ্ট হয়ে যায় সেখানেই।

ফাইনালে মঙ্গলবার ভারতের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। গত এশিয়ান গেমসেও লঙ্কানদের হারিয়ে সোনা জিতেছিল হারমানপ্রিত কৌরের দল।

একই দিনে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। গত আসরে এই দলকে হারিয়ে তৃতীয় হয়েছিলেন নিগার-নাহিদারা।

আইচির নিশানে রোববার দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ভারত ২০ ওভারে তোলে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান।

৪৯ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন শেফালি। ২২ বছর বয়সী ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস হয়ে গেল ২২টি।

বরাবরই ছক্কাপ্রিয় এই ব্যাটার এ দিন ছয় মারেন ৯টি। নারী টি-টোয়েন্টিতে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই বছরে তার ছক্কা হলো ৩৫টি। এক পঞ্জিকাবর্ষে যা সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড।

তার সঙ্গে ঝড়ো উদ্বোধনী জুটি গড়া স্মৃতি মান্ধানার জন্যও ম্যাচটি হয়ে থাকবে স্মরণীয়। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন স্টাইলিশ এই ব্যাটার।

রান তাড়ায় অনুমিতভাবেই লড়াই জমাতে পারেনি বাংলাদেশ। আরও একবার হতশ্রী ব্যাটিংয়ে গুটিয়ে গেছে তারা ৮১ রানেই।

কোরোগি স্পোর্টস পার্কে ভারত ব্যাটিংয়ে নামে টস জিতে। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল তাদের দাপট। মারুফা আক্তারের প্রথম ওভারে চার মারেন মান্ধানা। পরের ওভারে সানজিদা আক্তার মেঘলার বাঁহাতি স্পিনে ছক্কা ও চার মারেন শেফালি।

মারুফা পরের ওভারে দুটি চার আসে মান্ধানার ব্যাট থেকে। এর প্রথমটিতেই সুজি বেটসকে ছাড়িয়ে রানের তালিকায় সবার ওপরে উঠে যান ৩০ বছর বয়সী ব্যাটার।

একের পর এক বোলিং পরিবর্তন করেও লাভ হয়নি। অফ স্পিনার সুলতানা খাতুনকে চার বলের মধ্যে দুটি ছক্কায় স্বাগত জানান শেফালি। লেগ স্পিনার রাবেয়ার প্রথম তিন বলে দুই রান এলেও পরের তিন বলে দুটি চার ও একটি ছক্কা মারেন মান্ধানা।

দলকে ঝড়ো শুরু এনে দেন শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা। ছবি: বিসিসিআই।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে বাংলাদেশ অধিনায়ক আক্রমণে আনেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ বোলার নাহিদা আক্তারকে। তাকেও ছক্কা ও চার মারেন শেফালি।

ওই ওভারের শেষ বলে ছক্কার চেষ্টায় আউট হন মান্ধানা (১৯ বলে ৩৭)। ততক্ষণে পাওয়ার প্লেতে উঠে হেছে ৭২ রান।

তিনে নেমে গুনালান কামালিনি সুবিধে করতে পারেননি। নবীন এই ব্যাটার আউট হন ১০ বলে ৩ রান করে। ওই সময়টায় একটু কমে আসে রানের গতি।

তবে শেফালি ছিলেন আপন রূপেই। নাহিদাকে ছক্কায় উড়িয়ে ফিফটি করেন তিনি ২৪ বলে।

অনেক ম্যাচেই ৫০-৬০ করে বড় শটের চেষ্টায় আউট হওয়ার নজির আছে শেফালির। কিন্তু এ দিন তিনি ছিলেন অন্যরকম। ফিফটি করে আরও এগিয়ে যান তিনি।

মন্থর শুরুর পর ক্রমে নিজেকে খুঁজে পান হারমানপ্রিত। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৯৪ রানের জুটি গড়েন ৫৫ বলে।

৩৩ বলে ৪০ রান করে হারমানপ্রিত স্টাম্পড হন রাবেয়ার বলে।

নাহিদার স্পেলের শেষ ওভারে টানা দুটি ছক্কার পর শেফালির রান ছিল ৪২ বলে ৯৩। শতরানের সুবাস পেয়ে একটু সাবধানী হয়ে ওঠেন তিনি। পরের সাত রান করতে বল খেলেন সাতটি। শেষ ওভারের শেষ বলে সিঙ্গল নিয়ে পা রাখেন তিনি শতরানে।

টি-টোয়েন্টিতে তো বটেই, সাদা বলের ক্রিকেটে তার প্রথম শতরান এটি। টেস্টে একমাত্র সেঞ্চুরিকে রূপ দিয়েছেন তিনি ডাবল সেঞ্চুরিতে।

দুইশ ছুঁইছুঁই রান তাড়ার সামর্থ্য বাংলাদেশের এমনিতেই নেই। তাদের ব্যাটিংয়ে দেখা যায়নি লড়াইয়ের ছাপও।

ওপেনার জুয়ায়রিয়া ফেরদৌস আলগা শটে ফেরেন প্রথম বলেই। সোবহানা মোস্তারি (৭ বলে ৪) ও নিগার সুলতানা (৯ বলে ৯) পারেননি বেশিক্ষণ টিকতে।

ওপেনিংয়ে দিলারা আক্তার ভালো কয়েকটি শট খেলেন। চারটি চার ও একটি ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। তবে স্পিন আক্রমণে আসতেই আটকে যান তিনি। ২৩ বলে ২৭ করে আউট হন দীপ্তি শার্মার অফ স্পিনে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ