1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফয়সাল-আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতায় যাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রচার শুরু আজ তেলের কোনো সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন জাহেদ উর রহমান ইরানে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে আহ্বান সৌদি আরবের তেলের কোনো সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী স্ত্রী ‘ফিলিস্তিনের পক্ষে’ কাজ করায় যুক্তরাষ্ট্রে তোপের মুখে মেয়র মামদানি

জেলা জজদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রতি আস্থাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেওয়া যায় না

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১৯৪ Time View

প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেছেন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ সময়টুকু বিচার ও শুনানির কাজে লাগালে শুধু মামলা নিষ্পত্তির হারই বাড়বে না; মামলাজটও কমবে। তাতে বিচারপ্রার্থী জনগণ উপকৃত হবে এবং দীর্ঘ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে।
গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবন মিলনায়তনে জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ ও জেলা জজ পদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রত্যেক জেলা জজকে বার ও বেঞ্চের মধ্যে সুসম্পর্ক রক্ষার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। দুঃখের সঙ্গে আমাকে বলতে হচ্ছে যে কতিপয় জেলা জজের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের অভাবে ইদানীং কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা কয়েকটি জজশিপে ও ম্যাজিস্ট্রেসিতে ঘটেছে, যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করব, এখন থেকে প্রত্যেক জেলা জজ নিজস্ব জজশিপে অপ্রত্যাশিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সচেতন থাকবেন।’
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘বিচার বিভাগ হচ্ছে জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল। আমি মনে করি, এখনো বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। সেই আস্থাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেওয়া যায় না।’ তিনি বলেন, একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা যেখানেই কর্মরত থাকুন না কেন, তিনি একজন বিচারক বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা। বিষয়টি সব সময় মনে রেখে বিচার বিভাগের স্বার্থ ও মানসম্মান যাতে ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিকে অবশ্যই যত্নবান হবেন। ইদানীং এ বিষয়ে কিছু ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তা কোনো অজুহাতেই মার্জনা করা হবে না।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার এ কে এম শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় সারা দেশ থেকে আসা জেলা জজ ও সমপদমর্যাদার ১৭০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এই আয়োজনে অংশ নেন। সুপ্রিম কোর্ট ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা জরুরি—এ কথা উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, সরকার এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
অধস্তন আদালতে বিচারকর্ম শুরু ও সমাপ্তির সময়সূচি প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতি কর্মদিবসে অধস্তন আদালতগুলোকে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিচার আসনে বসার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু লক্ষ করা যাচ্ছে, অধস্তন আদালতের বিচারকদের কেউ কেউ তা অনুসরণ করেন না।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কর্মস্থল ত্যাগের জন্য নির্ধারিত নিয়ম-কানুন আছে। জেলা জজ থেকে শুরু করে তাঁর অধস্তন বিভিন্ন পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, প্রধান বিচারিক হাকিমসহ অন্যান্য হাকিম বিভিন্ন অজুহাতে ঘন ঘন কর্মস্থল যাতে ত্যাগ না করেন এবং এটি যাতে নিয়মিত রুটিন হিসেবে দাঁড়িয়ে না যায়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
জেলা জজদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘দেখা যায় যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে অধস্তন আদালতগুলোতে যখন কোনো সমন, নোটিশ, পরোয়ানা জারির জন্য পাঠানো হয়, সেগুলো যথাসময়ে জারি হয়ে প্রতিবেদনসহ ফেরত আসে না। এমনকি তাগিদ দেওয়ার পরও নথি না পাঠানো উচ্চ আদালতে মামলাজটের অন্যতম কারণ। তাই এ ব্যাপারে জেলা জজদের ব্যক্তিগত তদারকি বাড়াতে হবে। যেসব কর্মচারী দায়িত্বে অবহেলা করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এতে যেন অন্যথা না হয়।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ