1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

জলবায়ু স্থিতিস্থাপক সমাজ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন অপরিহার্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৯ Time View

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি উন্নয়নমূলক এজেন্ডা নয়, এটি এখন জাতীয় অস্তিত্বের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে নারীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করা ছাড়া টেকসই অভিযোজন সম্ভব নয়।

আজ রবিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আলোকি মিলনায়তনে ইমপাওয়ার উইমেন ফর ক্লাইমেট রেজিলেন্ট সোসাইটিস (ফেজ টু) প্রকল্পের আয়োজনে ‘জাতীয় অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি ও সম্প্রসারণ কর্মশালা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে নারীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ইমপাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে যে সফল অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার এখনই সময়।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং খরার মতো দুর্যোগে গ্রামীণ নারীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন। তাদের জীবনমান উন্নয়নে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

ইমপাওয়ার প্রকল্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এই প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষিত নারীরা ইতোমধ্যে নিজেদের জীবনমানের পরিবর্তন এনেছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক কৃষি ও জীবিকা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই সাফল্যকে আরও বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়া এখন সময়ের দাবি।

জাহিদ হোসেন জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে তৃণমূল বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নারীর কণ্ঠস্বর নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিকল্পনায় জেন্ডার-সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত করা এখন আর ঐচ্ছিক নয়, এটি বাধ্যতামূলক।

তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। সরকার চায় দেশের প্রতিটি নারী জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হোক এবং পরিবার ও সমাজকে রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখুক।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিভিন্ন জেলায় বাস্তবায়িত কার্যক্রমের সাফল্য এবং শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনায় উঠে আসা সফল মডেলগুলো দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সম্প্রসারণের সুপারিশ করেন।

কর্মশালায় ইউ এন ওমেন বাংলাদেশের রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি শিং, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার, জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, গবেষক এবং কুড়িগ্রাম, জামালপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, কক্সবাজার জেলার প্রায় শতাধিক তৃণমূল পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ