1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে একটি চক্র : প্রধানমন্ত্রী জুলাই শেষ হবে সেদিন, যেদিন জনগণের অধিকার নিশ্চিত হবে সপ্তাহজুড়ে পুঁজিবাজারে সূচক কমলেও গড় লেনদেন বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল : চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তনু হত্যায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর ফের গ্রেপ্তার হাসপাতালে মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে দেবের আবেগঘন বার্তা ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৫ এক ভোটে ক্যারিকে পেছনে ফেলে আবারও বর্ষসেরা হেড প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৪ Time View

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। একইসঙ্গে আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার মেগা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যমতে মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। তবে সরকারের লক্ষ্য আরও সুদূরপ্রসারী। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক স্পর্শ করা। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং স্পোর্টস ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য সরকার কেবল নির্দিষ্ট কোনো খাতের ওপর নির্ভর করছে না। অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, রপ্তানি ও প্রবাস আয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষার মতো সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী সরকারের প্রধান পদক্ষেপগুলো হলো- বেকারত্ব নিরসন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে উৎপাদন, আইটি, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। শিল্পায়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা সহজ করা এবং শিল্প স্থাপনে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এছাড়া এসএমই খাতে বিশেষ নজর আছে সরকারের। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিশেষ করে নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হচ্ছে, যাতে তাদের আয় করার ক্ষমতা বাড়ে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করা এবং রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।

গৃহীত এসব পদক্ষেপের বাস্তবায়ন সম্পর্কে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বেশ কিছু পদক্ষেপ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই বাস্তবায়নাধীন আছে। বাকিগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগগুলো একদিকে যেমন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখবে, অন্যদিকে ২০৩৪ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মজবুত ভিত্তি তৈরি করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ