1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রমিকের মর্যাদা উপেক্ষা করে কোনো সমাজ টেকসই হতে পারে না : জামায়াত আমির গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণই রাজপথে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে : আজহারুল ইসলাম লেখাপড়া আনন্দময় করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী আগামীকাল সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্নের জবাব দিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে কিছু মহল : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে পেন্টাগনের মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে বন্ধুহীন করতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে : প্রধানমন্ত্রী প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১১ সরকারি কর্মকর্তা ফ্লোরিডায় নিহত বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার

মামলার রায় ঝুলিয়ে রাখায় বিচারকের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১২৯ Time View

 

রাজনৈতিক চাপের ‘অজুহাত’ দেখিয়ে ব্যাংক ডাকাতির একটি মামলার শেষ পর্যায়ে এসেও রায় না দিয়ে দুই বছর ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিচারক ওই পদে থাকতে পারেন না বলেও মত দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত দেওয়া রায়ের কপিতে সই করেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

ঘটনাটি আইন অনুসারে তদন্ত করতে আইন সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন, অ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোশাররফ হোসেন সরদার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গাজী মো. মামুনুর রশীদ।

হাইকোর্ট সূত্র জানায়, পূবালী ব্যাংকের তেজগাঁও শাখায় ২০০২ সালের ১১ নভেম্বর একটি ডাকাতি হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি ওই সময় অতিরিক্ত দায়রা জজের দায়িত্বে থাকা বিচারক মো. মাহবুবুর রহমানের (বর্তমানে ঢাকার শ্রম আদালত-২ বিচারক) আদালতে ছিলো। ২০১০ সালে মামলাটি যুক্তিতর্কের পর্যায়ে ছিলো। এরপর রায় দেওয়ার কথা। কিন্তু এরপর এর কার্যক্রম আর অগ্রসর হয়নি। পরে ওই মামলার আসামি নুর হোসাইন ওরফে লেদু মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ওই বিচারককে শোকজ নোটিশ দেন। ৩০ জুলাই বিচারক মাহবুবুর রহমান এ নোটিশের জবাব দেন।

জবাবে বিচারক জানান, মামলার আসামি পক্ষ অত্যন্ত চতুর ও প্রভাবশালী এবং তারা উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছে। তাই অত্র মামলাটির বিচার কাজ চালাতে আমি বিব্রতবোধ করছি।

রাজনৈতিক চাপের বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, এটা কেবলমাত্র বিস্ময়করই নয়, বরং এটা বিচারিক কর্ম সম্পাদনে ওই বিচারকের অযোগ্যতাই প্রকাশ পায়। গত দুই  বছর এই চাপের কথা তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন কিনা। তা তিনি তার জবাবে উল্লেখ করেননি। তার এই যুক্তি গ্রহণ করলে এটাই স্পষ্ট হবে যে, তিনি তথাকথিত চাপে পড়ে তার বিচারিক দায়িত্ব সম্পাদন থেকে নিজেকে বিরত রেখেছিলেন।

এ অবস্থায় আমাদের মত হচ্ছে, উঁচু বিচারিক পদে থেকে তিনি অযাচিত চাপে নিজেকে বিচার কাজ থেকে বিরত রেখেছেন। তাই তিনি বিচারিক কাজ চালিয়ে নেওয়ার মত যোগ্য নন।

আদালত একইসঙ্গে মূল মামলার আসামিদের জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের বক্তব্য নিয়ে এবং যুক্তিতর্ক শেষ করে ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ