1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই ইসলামি দল: চরমোনাই পীর মার্কিন ভিসানীতিতে পরিবর্তন, ভারতীয়দের মাথায় হাত শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত, আমিরের কড়া বার্তা তারেক রহমান উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন আজ আবারও রাজনীতি করতে গিয়ে খুন হতে হবে কল্পনা করিনি : হাসনাত আবদুল্লাহ

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৫ Time View

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাতের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্র অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। অভিযানের পরও সেই যোগাযোগ বজায় রয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাবেলোর সঙ্গে সরাসরি ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা করেন। ওই সময় কাবেলোর নিয়ন্ত্রণাধীন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যেন বিরোধীদের লক্ষ্য করে সহিংসতায় না নামে তা নিয়ে তাকে সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র।

রয়টার্সের জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারির অভিযানের পর থেকে ভেনেজুয়েলার গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর মূলত কাবেলোরই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যে মাদক পাচার সংক্রান্ত অভিযোগপত্রকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিল, সেই একই অভিযোগপত্রে কাবেলোর নামও রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তাকে আটক করা হয়নি।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের শুরু থেকেই এই যোগাযোগ চলছিল এবং মাদুরোকে আটকের আগের কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটন।

রয়টার্স লিখেছে, আগে কখনো প্রকাশ না হওয়া এই যোগাযোগ ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা ছিল, কাবেলো যদি তার নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনী মাঠে নামান, তাহলে দেশটিতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কাবেলোর আলোচনার পরিসর কতটা বিস্তৃত ছিল, কিংবা কাবেলো যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা মেনে চলছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। কেননা কাবেলো প্রকাশ্যে দেলসি রদ্রিগেজের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন।

দিওসদাদো কাবেলো দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলার দ্বিতীয় সর্বাধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো স্যাভেজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং পরে নিকোলাস মাদুরোর অন্যতম প্রধান অনুগতে পরিণত হন। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দমন-পীড়নের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ধরিয়ে দিতে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করলেও কাবেলো এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ