1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শরীয়তপুরে ওসিকে হুমকি ও নানা অভিযোগে বিএনপি নেতা বহিষ্কার গৌরীপুরে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল সিনেমা হলসহ ২০ দোকান ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েল রাষ্ট্র, আছে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে: সিআইএ-র প্রতিবেদন ২০৩০ সালের আগেই সরবরাহ চায় সরকার: এয়ারবাস-বিমানের চুক্তি আজ | Boishakhi Online বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৪ শতাংশের পূর্বাভাস: দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বনিম্ন গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায় রাঙালেন মেসি মেসির বিদায়ী ম্যাচে আর্জেন্টিনার একাদশে যারা ফুটবল জাদুকরের মহিমান্বিত বিদায় বিএটি ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান মোমশাদ আলী খান এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী

এবার থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া শান্তিচুক্তি অনুষ্ঠানে থাকবেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪০ Time View

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজক দেশ মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান।

চলতি বছরের জুলাইয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সীমান্ত সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন নিহত হয় এবং প্রায় ৩ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হন।

টানা পাঁচ দিন যুদ্ধের পর ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যদিও এরপর দুই দেশই বারবার একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।

মোহাম্মদ হাসান মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া শান্তি চুক্তি প্রত্যক্ষ করার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে আছেন।
’

তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২৬ অক্টোবর মালয়েশিয়া সফর করবেন, যেখানে তিনি ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন।

মোহাম্মদ বলেন, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে, যাতে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে আরো বিস্তৃত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে।

এই চুক্তির অংশ হিসেবে দুই দেশকে সীমান্ত এলাকা থেকে সব স্থলমাইন অপসারণ এবং সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহার করতে হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি উভয় পক্ষ এসব শর্ত পূরণ করবে এবং আসিয়ান সম্মেলনের সময় একটি ঘোষণা স্বাক্ষরিত হবে।
আমরা একে ‘কুয়ালালামপুর ডিক্লারেশন’ বা ‘কুয়ালালামপুর অ্যাকর্ড’ বলতে পারি — মূল লক্ষ্য হলো এই দুই প্রতিবেশী দেশ যেন স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ