1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিশ্বজুড়ে থাকা আমেরিকানদের জন্য একটি হালনাগাদ সতর্কবার্তা জারি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সাতক্ষীরায় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন সামনে তেলসহ জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে : এলজিআরডি মন্ত্রী ৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে স্বর্ণের দাম ট্রাম্পের আলটিমেটামে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম হরমুজ পারাপারে জাহাজপ্রতি ২০ লাখ ডলার নিচ্ছে ইরান ৬ শর্ত পূরণ না হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়: ইরান বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান মেধা ও প্রযুক্তিতে দেশকে এগিয়ে নেবে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেভেলক্রসিংয়ে অটোমেটিক গেট নির্মাণ করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

মারা গেছেন প্রখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্র নির্মাতা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৯ Time View

মারা গেছেন প্রখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্র নির্মাতাপ্রখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্র নির্মাতা নাসের তাঘভাই আর নেই। মঙ্গলবার ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পরিচালকের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী মারজিয়া ভাফামের।

এক আবেগঘন বার্তায় ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, ‘নাসের তাঘভাই, এমন এক শিল্পী যিনি স্বাধীনভাবে বাঁচার কঠিন পথ বেছে নিয়েছিলেন, অবশেষে তিনি মুক্তি পেলেন।

১৯৪১ সালের ১৩ জুলাই ইরানের আবাদান শহরে জন্মগ্রহণ করেন তাঘভাই। ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘ট্রানক্যুইলিটি ইন দ্য প্রেজেন্স অব আদারস’ (অন্যদের উপস্থিতিতে শান্তি) তাকে এনে দেয় বিশেষ খ্যাতি। এই ছবিতে তিনি দেখিয়েছিলেন ইরানি সমাজে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংঘাত—যা তাকে এক ভিন্নধারার নির্মাতা হিসেবে পরিচিত করে তোলে।

এ ছাড়া তিনি সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত।
১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আগে ও পরে—দুই সময়েই রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তাঘভাই। ২০১৩ সালে ইরানে চলচ্চিত্র ও সাহিত্য জগতে ‘ভয়াবহ সেন্সরশিপ’-এর নিন্দা করে তিনি ঘোষণা করেন, আর কোনো চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন না।

তাঘভাইয়ের জনপ্রিয় কাজের মধ্যে অন্যতম তার ব্যঙ্গাত্মক টিভি সিরিজ ‘মাই আংকেল নেপোলিয়ন’, যেখানে এক প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তার পতনকে তীক্ষ্ণ রসবোধে তুলে ধরা হয়। কর্মজীবনে তিনি ছয়টি চলচ্চিত্র, একটি টেলিভিশন সিরিজ এবং বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন।

তাগভাই অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছিলেন, যার মধ্যে ১৯৮৮ সালে ‘ক্যাপ্টেন খুরশিদ’ ছবির জন্য তিনি লোকার্নো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ব্রোঞ্জ লোপার্দ পুরস্কার অর্জন করেন। এ ছাড়া ২০০২ সালে, তিনি ইরানের সরকার পরিচালিত ফজর চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার লাভ করেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।

সূত্র: আল আরবিয়া

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ