1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিমিকে প্রকাশ্যে মঞ্চে হেনস্তা, গ্রেপ্তার সেই যুবক নির্বাচনের পরিবেশ বিগত সরকারের আমলের চেয়ে ভালো : প্রেসসচিব আগামীকালই হবে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরো বাড়াল এনবিআর দেশ কোনদিকে যাবে জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে: তারেক রহমান যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

সংস্কার জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৯ Time View

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, সংস্কার শুধু আইন বা অধ্যাদেশে সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়। এটি একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সে কারণেই আমি আমার সংস্কার রোডম্যাপ নিয়ে দেশের পথে নেমেছি। তিনি বলেন, আজ আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, এ সংস্কারের লক্ষ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, আর বাকি পদক্ষেপ আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।

গতকাল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান : বিচার বিভাগের সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমুখ। প্রধান বিচারপতি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণজাগরণ আমাদের সামনে আয়না ধরেছিল।
সেপ্টেম্বরের রোডম্যাপ ছিল আমার উত্তর। সরকারের কাছে প্রেরিত সংস্কার প্রস্তাব, জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সৃষ্টি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দুটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন, দেশব্যাপী সংস্কার রোডশো, বাণিজ্যিক আদালতের প্রস্তুতি সবই প্রমাণ করে, আমরা কথায় নয়, কাজে সংস্কার বেছে নিয়েছি।

তিনি বলেন, গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর আমি বিচার বিভাগের সংস্কার রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলাম। সেই ঘোষণা ছিল আত্মসমালোচনার অঙ্গীকার, যা বিচারব্যবস্থা নিজেকেই ভিতর থেকে সংস্কার করবে।
এরপর থেকে আমি দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করতে, সেবাকে গতিশীল করতে। বিচার বিভাগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। সংস্কার প্রক্রিয়ায় পাশে থাকায় আইনজীবী সমিতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, এসব কিছুই সম্ভব হতো না যদি বার আমাদের পাশে না থাকত। জেলাগুলোতে বার অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সঙ্গে একত্রে হেঁটেছে, তারা প্রমাণ করেছে সংস্কার শুধু বিচারকদের কাজ নয়। আর ঢাকায়, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ছিল আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ