1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, জনস্বার্থে ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করতে হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন আইওএম’র চিফ সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীলে ‘এআই’র উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: জাহেদ উর রহমান বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

শতভাগ সাক্ষরতা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৭০ Time View

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকারের নানামুখী কর্মসূচির কারণে পূর্বের তুলনায় সাক্ষরতার হার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখনও প্রায় ২৩.২ শতাংশ জনগোষ্ঠী নিরক্ষর। শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
আজ (বৃহস্পতিবার) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি৷

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার প্রজ্ঞা, মেধা আর দূরদর্শিতা দিয়ে বুঝতে পেরেছিলেন যে, সদ্য স্বাধীন দেশে মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে হলে জাতিকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে হবে। তাই তিনি শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করে সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণ এবং শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক হিসেবে ঘোষণা করেন। সাক্ষরতা বিস্তারে আন্তর্জাতিক ফোরামের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তৎকালীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা প্রদান করেছে৷
তিনি বলেন, শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞানদান, জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকায়ন, দক্ষ মানবসম্পদে পরিণতকরণ, আত্ম-কর্মসংস্থানের যোগ্যতা সৃষ্টিকরণ এবং বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার বিকল্প সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সরকার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন ২০১৪ প্রণয়ন করেছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি ৪) অর্জনের জন্য সরকার ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২১-২০২৫) উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা খাতের জন্য তিনটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এগুলো হলো— ৩৩.৭৯ মিলিয়ন কিশোর-কিশোরী ও বয়স্ক নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে মৌলিক সাক্ষরতা প্রদান করা, মৌলিক সাক্ষরতা অর্জনকারী ৫ মিলিয়ন নব্যসাক্ষরকে কার্যকর দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান করা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বোর্ডকে কার্যকর করা।
তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য সবার আগে প্রয়োজন সাক্ষরতা জ্ঞান। দেশের সকল মানুষকে সাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করা গেলে ডিজিটাল প্রযুক্তি মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব হবে। দেশের নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষরতা জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে মানবসম্পদে পরিণত করার দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকেও এগিয়ে আসতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ