1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকানো ও প্রাণহানি কমাতে দিনরাত কাজ চলছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আগামী ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি ‘কোনো ধরনের উগ্রতা ও উচ্ছৃঙ্খলতাকে আমরা প্রশ্রয় দেব না’ ইউপি নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনি নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ ৫৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে লালদিয়া টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাল

প্যানডোরা পেপার্স: প্রকাশ্যে পুতিনের বান্ধবীর বিলাসবহুল ফ্ল্যাট

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৫ Time View

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যেমন ক্ষমতাধর তেমন তার সম্পদের পরিমাণও। অবশ্য এর বেশিরভাগই ঘনিষ্টজনদের নামে। তবে ইউরোপের দেশ মোনাকোতে এবার পুতিনের এক বান্ধবীর একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের সন্ধান মিলেছে।

রোববার (৩ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। সাম্প্রতিক আর্থিক দলিলপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিশ্বের বড় বড় নেতা, রাজনীতিবিদ, ধনকুবেরসহ সরকারি কর্মকর্তাদের গোপন সম্পদ ও লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্যানডোরা পেপার্স নামে এসব দলিলপত্রে প্রায় ৩৫ জন বর্তমান ও সাবেক রাষ্ট্রনেতা এবং তিন শতাধিক সরকারি কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

প্যানডোরা পেপার্স অনুযায়ী, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠজনদের গোপন সম্পদ রয়েছে মোনাকোতে। এমনকি পুতিনের প্রেমিকা এবং রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবারই বিপুল সম্পদের তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

রোববারের প্রতিবেদনে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনীদের কাছে কর স্বর্গ হিসেবে পরিচিত ইউরোপের দেশ মোনাকোতে ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে একটি গোপন লেনদেন হয়েছিল। সেসময় সেখানে একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের হাতবদল হয়। স্থানীয় একটি নোটারির পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করা ওই চুক্তিতে অ্যাপার্টমেন্টটি হাতবদল হয় ৩৬ লাখ ইউরোতে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৬ কোটি টাকা।

চুক্তি অনুযায়ী, এই বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে মোনাকোর মন্টে কার্লো স্টার কমপ্লেক্স নামক বিলাসবহুল ভবনের চতুর্থ তলায় একটি ফ্ল্যাট পেয়েছিলেন ক্রেতা। ফ্ল্যাটের সঙ্গে ছিল পার্কিংয়ের দু’টি স্পেস, একটি স্টোররুম এবং সুইমিং পুল ব্যবহারের সুযোগ।

বিলাসবহুল এই ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে নতুন মালিক মোনাকোর মনোমুগ্ধকর সৈকত দেখতে পারেন। এছাড়া ওই কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতটাই কঠোর যে, কোনো ভ্রমণকারী চাইলেই সেখানে প্রবেশ বা ভবনের বাসিন্দাদের বিরক্ত করতে পারেন না। কমপ্লেক্সের ছাদে একটি মিনি গার্ডেন বা ছোট বাগানও রয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, ২০০৩ সালে ওই ফ্ল্যাটটি যিনি কিনেছিলেন, তার পরিচয় কারও জানা ছিল না। ক্রেতা ছিলেন একজন রহস্যময় ব্যক্তি। আনুষ্ঠানিক নথিপত্রে ওই ফ্ল্যাটের মালিক হিসেবে নাম ছিল ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া দ্বীপপুঞ্জে নিবন্ধিত একটি অফশোর কোম্পানির। যার নাম ব্রুকভিল ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।

তবে সম্প্রতি প্রকাশিত প্যানডোরা পেপার্সে রহস্যময় ওই ফ্ল্যাটমালিকের পরিচয় বেরিয়ে এসেছে। প্যানডোরা পেপার্সের নথি বিশ্লেষণ করে বিলাসবহুল ওই ফ্ল্যাটির ক্রেতা হিসেবে একজন নারীকে শনাক্ত করেছে গার্ডিয়ান। তার নাম এসভেতলানা ক্রিভোনোগিখ। ২০০৩ সালে ফ্ল্যাটটি কেনার সময় তার বয়স ছিল ২৮ বছর। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে রুশ এই নারী বিপুল পরিমাণ ধন-সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন।

ক্রিভোনোগিখের নামে তার শহর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে সম্পদ ও ইয়ট ছাড়াও আরও অনেক সম্পদও ছিল তার নামে। এসব সম্পদের আর্থিক মূল্য ছিল ১০ কোটি মার্কিন ডলার।

তবে ৯০-এর দশকে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের মেয়রের সঙ্গে বন্ধুত্বের পরই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় ক্রিভোনোগিখের। সেই মেয়র আর কেউ নন, ভ্লাদিমির পুতিন। চলতি শতাব্দীর শুরুতে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রে আসার আগে নব্বইয়ের দশকে পুতিন ছিলেন সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের মেয়র। এসভেতলানা ক্রিভোনোগিখ পুতিনের প্রেমিকা ছিলেন বলেও শোনা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ