1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিশুদের মৃত্যু নিয়ে দুঃখ প্রকাশ, সীমাবদ্ধতার কথা জানালেন স্বাস্থ্য সেবার সচিব নতুন প্রজন্মকে ২৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিলের বীরত্বগাথা জানানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী স্কুল চলাকালে যানজট নিরসনের উপায় বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: নৌপরিবহন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর সাথে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা ‘তেল নেই’ লেখা পাম্প থেকে ৩৪ হাজার লিটার উদ্ধার করলো বিজিবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে স্বর্ণ সরবরাহের আবেদন বাজুস’র

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২
  • ৯৫ Time View

জুয়েলারি ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান স্বর্ণ ও রৌপ্যের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে স্বর্ণ সরবরাহের আবেদন জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

সম্প্রতি বাজুস সাধারণ সম্পাদক ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পত্রে এ আবেদন জানানো হয়।

ওই পত্রে আরো বলা হয়, জুয়েলারি এদেশের একটি সম্ভবনাময় ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প। জুয়েলারি ব্যবসার প্রধান কাঁচামাল হলো স্বর্ণ ও রৌপ্য। বাংলাদেশের স্বর্ণকারগণ স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকার তৈরি করার ক্ষেত্রে দেশীয় রিসাইকেল স্বর্ণ ও রৌপ্যের ওপর নির্ভরশীল যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কেউ কেউ দেশে আগমনকালে যে পরিমাণ স্বর্ণ ও রৌপ্য নিয়ে আসেন তার পরিমাণও অনেক কম। এর ফলে জুয়েলার্সদেরকে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়েও বেশি মূল্যে স্বর্ণ ও রৌপ্য ক্রয় করতে হয় বলে উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে।

গভর্ণরকে দেওয়া ওই চিঠিতে আরো বলা হয়, এর প্রভাব পরে স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকারের মূল্যের নির্ধারণের ক্ষেত্রে। যদি পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ন্যায় এদেশেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক অথবা ব্যাংক কর্তৃক নিয়োগকৃত এজেন্টের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের সাথে সহনীয় হারে প্রিমিয়ামযুক্ত  করে বৈধ জুয়েলার্সদের নিকট স্বর্ণ ও রৌপ্য সরবরাহ করা হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে স্বর্ণ ও রৌপ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

এছাড়া চিঠিতে বলা হয়, এ উদ্যোগ নেওয়া হলে সাশ্রয়ী মূল্যে দেশে স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকার পাওয়া যাবে। এতে ক্রেতাসাধারণ উপকৃত হবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। নতুন নতুন কর্মসংস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি হবে। এছাড়া ইতিপূর্বে বেকার হওয়া প্রায় লক্ষাধিক স্বর্ণশিল্পীর বেকারত্ব দূও হবে।

স্বর্ণ ও রৌপ্যের যথাযথ উৎস পাওয়া গেলে এদেশের দক্ষ স্বর্ণশিল্পীদের দক্ষ হাতেগড়া সুনিপূন স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকার রপ্তানীর মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে ওই চিঠিতে মন্তব্য করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ