1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পুনরায় নিবন্ধনের আহ্বান ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৩, মামলা ৪০ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে চীনের আগ্রহ, সমঝোতার চেষ্টা সামিটের শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৩ আগস্ট রাশিয়াকে ৩০ হাজার সেনা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া, জেলেনস্কির দাবি সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা পর্যটন ক্যাম্পে ইউক্রেনের হামলায় চার শিশুসহ নিহত ১১: রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলা, নিন্দা জানাল ইরান

২৩ এপ্রিলের মধ্যেই বসুন্ধরার করোনা হাসপাতাল নির্মাণ শেষ করার আশাবাদ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৩ Time View

আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে করোনা হাসপাতালের নির্মাণ কাজ। দিন-রাত বিরামহীন কাজ চলছে। দেশের সবচেয়ে বড় কনভেনশন হলকে হাসপাতালে রূপ দিতে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সরঞ্জাম আনার কাজ শেষ। নির্ধারিত সময়ের আগের এই অস্থায়ী করোনা হাসপাতালের নির্মান কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। 

সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারন করেছে। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই ক্রান্তিকালে সরকারকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দেওয়ার পাশাপাশি আইসিসিবিকে পাঁচ হাজার শয্যার করোনা হাসপাতালে রূপান্তরের প্রস্তাব দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ।   

জানা যায়, বসুন্ধরা গ্রুপের প্রস্তাবে ও প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনীর একটি দল আইসিসিবি পরিদর্শন করে। পরে এটাকে অস্থায়ী হাসপাতাল বা আইসোলেশন সেন্টার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কভিড-১৯ বিপর্যয় শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং সরকারের যত দিন ব্যবহারের প্রয়োজন শেষ না হবে, তত দিন আইসিসিবিকে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এখানে দুই হাজার ৭১ শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করার জন্য কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে এটিকে পাঁচ হাজার শয্যায় রূপান্তর করা যাবে। 

আজ শনিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির এক্সপো জোনে তৈরি হচ্ছে হাসপাতালের অবকাঠামো। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি রাখা হয়েছে কনভেনশন হলগুলোতে। শ্রমিকদের দম ফেলার ফুরসত নেই। পুরোদমে চলছে অবকাঠামো নির্মাণ। ছোট ছোট ঘরের মতো করে তৈরি হচ্ছে আইসোলেশন সেন্টার, যাতে একটি করে বেড স্থাপিত হবে। এসি স্থাপন করা হয়েছে। হাসপাতালের বিছানা, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও বিদ্যুতের জন্য সাবস্টেশনও চলে এসেছে। যা স্থাপনের কাজ চলছে। এই হাসপাতালে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সার্বক্ষণিক থাকবেন ডাক্তার ও নার্স। গাড়ি পার্কিং থেকে শুরু করে নানামুখী সুবিধার এই কনভেনশন সেন্টারে রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে। 

হাসপাতাল তৈরিতে সম্পৃক্ত স্বাস্থ্য প্রকৌশলীরা বলছেন, নির্দিষ্ট সময়ে হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শেষ হবে। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করছেন সম্পৃক্তরা। হাসপাতালের রোগীর চিকিৎসায় বেডের পাশাপাশি থাকবে ডাক্তার, নার্স, সাপোর্টিং স্টাফদের কেবিন। সিসি ক্যামেরাও স্থাপন করা হবে যেন রোগীকে সার্বক্ষণিক মনিটর করতে পারেন ডাক্তার ও নার্সরা। 

আজ শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুল আলম হাসপাতাল নির্মাণে কর্মযজ্ঞ দেখভাল করছিলেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সন্তোষজনক পর্যায়ে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই আমরা কাজ শেষ করতে পারবো বলে আশাবাদি। আমরা আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মান কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বেশিরভাগই চলে এসেছে। এখন ফিটিং করতে যতটুকু সময় লাগে। ইতিমধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি কাজ শেষ হয়েছে।’ 

এই প্রকৌশলী বলেন, ‘স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ভ্যেনুটাকে হাসপাতালে রূপান্তর করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করবে। এরপর হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ডাক্তার, নার্সসহ অন্যান্য বিষয় তারা দেখবেন।’ 

মাসুদুল আলম বলেন, এক্সপো জোনকে ছয়টি ক্লাস্টারে ভাগ করে প্রতি ক্লাস্টারে ২৮৮টি করে বেড স্থাপন করা হবে, যাতে মোট এক হাজার ৪৮৮ বেড স্থাপিত হবে। আর চারটি কনভেনশন হলে নির্মিত হবে ৫৬৪ বেড। ৪ নম্বর হল নবরাত্রীতে বসবে আইসিইউ সাপোর্ট সেন্টার। এখানে জরুরি ও গুরুতর রোগীকে আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ