1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পে স্কেলের গেজেট চূড়ান্ত পর্যায়ে, প্রজ্ঞাপনের পর আছে আরো কয়েক ধাপ বিরোধী দলের বোঝা উচিত ৬ মাসে সব কাজ শেষ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী চলতি মাসের শেষেই সারা দেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সমাজ থেকে অপশক্তি দূর করতে চাই: আইনমন্ত্রী অবসর নিয়েও আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবার মাঠে নামতে পারেন মেসি শরীয়তপুরে মধ্যরাতে হোটেলের পার্কিংয়ে অগ্নিকাণ্ড, ভবনের ছাদ থেকে ১৭ জনকে উদ্ধার রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৬৯ চোটে পড়ে কাঁদলেন নেইমার, ক্ষোভ ঝাড়লেন মাঠকর্মীদের ওপর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে পড়েছিল মরদেহ, মুখে স্কচটেপ কণ্ঠের জাদুতে পাঁচ দশক, আজও অনন্য সাবিনা ইয়াসমিন

করোনা নিয়ন্ত্রণে নজির রাখল ভারতের এই শহর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৯ Time View

করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে পুরো বিশ্বে।এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে ১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতে। দেশটিতে প্রতি দশ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র ১৮ জনের করোনা স্ক্রিনিং টেস্ট করা হচ্ছে। এই পরিসংখ্যান বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তবে স্ক্রিনিং পরীক্ষার অভূতপূর্ব নজির গড়ল রাজস্থানে টেক্সটাইলের শহর ভিলওয়াড়া।

ভিলওয়াড়া শহরে ১৯ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ১৪ দিনের মধ্যে প্রায় ২৮ লক্ষের বেশি শহরবাসীর করোনা স্ক্রিনিং টেস্টের আয়োজন করা হয়। এটা করেছে এই শহরের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।এর মধ্য দিয়ে এই শহর এখন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের অন্যান্য করোনা সংক্রামিত অঞ্চলের ‘মডেল’ হিসাবে প্রশংসা পাচ্ছে।

১৮ মার্চ ভিলওয়াড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক প্রথম করোনা আক্রান্তও হন। তখনই তাঁর সংস্পর্শে আসা সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে রোগীর স্ক্রিনিং হয় এবং কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। তারপর স্বাস্থ্য দপ্তর এমন বিপুল স্ক্রিনিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৮ লাখ মানুষের স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে ২৮১৬ জনের স্যাম্পল নেওয়ার পর শেষমেশ ২৭ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এর ফলে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুবিধা হয় কর্তৃপক্ষের। এছাড়াও, যেহেতু এই শহরের প্রথম করোনা পজিটিভের ঘটনার নির্দিষ্ট কোনও সংক্রমণের অতীত মিলছিল না, তাই কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়।

শহরের সীমান্ত বন্ধ করা এবং সীমান্ত প্রহরার কড়াকড়ি, শহর জুড়ে ‘নো মুভমেন্ট জোন’ তৈরি করা হয়। প্রথম পর্যায়ে শহরে জরুরি পরিষেবামূলক দোকানপাট খোলা থাকলেও দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্পূর্ণ লকডাউন মোতায়েন করে শহরের কর্তৃপক্ষ। বন্ধ করা হয় সমস্ত রকম যানবাহন চলাচল। জরুরি তৎপরতার সঙ্গে শহরের হোটেল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড গড়ে তোলা হয়, গড়ে তোলা হয় কোয়ারেন্টিন সেন্টারও। ২৭টি হোটেলে প্রায় ১৬০০টি কোয়ারেন্টিন বেড, ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেলে প্রায় ১২ হাজার এবং জেলা হাসপাতালগুলিতে ২০০ থেকে প্রায় ৫০০ বেডের ব্যবস্থা করা হয় ঝড়ের গতিতে।

তৃতীয় পর্যায়ে ঘরে ঘরে গিয়ে ২৮ লক্ষ জনের স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়। যার জন্য ২০০০ স্বাস্থ্যকর্মীর টিম তৈরি করা হয়।

প্রথম ওই করোনা পজিটিভ চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংস্পর্শে আসা প্রায় ১৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং তাঁদের পরিবারের প্রত্যেককে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ওই বেসরকারি হাসপাতালের প্রায় ৭০০০ জন রোগীর করোনা নেগেটিভ সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

ভিলওয়াড়ায় বর্তমানে করোনা সংক্রমণের নিয়ন্ত্রণ প্রায় হাতের মুঠোয় আনা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলেও সংক্রমণের তেমন কোনও খবর নেই।

ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা বলেন, ভারতের অন‌্য করোনা-বিপর্যস্ত শহর ও রাজ্যগুলি ভিলওয়াড়াকে ‘মডেল’ হিসেবে গ্রহণ করুক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ