1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে: নৌমন্ত্রী তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী সূচকের বড় পতনে ডিএসইর লেনদেন কমলো স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ৪ হাজার ৪৩২ টাকা হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৪৪০ বাংলাদেশি সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে রাজস্ব সংগ্রহে রেকর্ড, ১১ মাসে আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা লেবানন থেকে ইসরায়েল সেনা না সরালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবরকম আলোচনা বন্ধ করে দেওয়া হবেহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো কাতার, নিখোঁজ ১৮ বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পেল মিসর

প্রবাসী আয়েই মিলছে ‘রেমিট্যান্স ঋণ’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০
  • ৫৬ Time View

প্রবাসীর পাঠানো রেমিট্যান্সই ঋণ পাওয়ার মূল মাপকাঠি। আর প্রবাসীর মনোনীত ব্যক্তি পাচ্ছেন সেই ঋণ। এ জন্য কোনো ট্রেড লাইসেন্সও লাগছে না। এমন ধারণা নিয়ে নতুন ধারার ঋণপণ্য চালু করেছে বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘রেমিট্যান্স ঋণ’। শুধু সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে আয় পাঠানো প্রবাসী নন, অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় গ্রহণ করা স্বজনেরাও এ ঋণ পাচ্ছেন।

সিটি ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ এ ঋণপণ্য চালুর অনুমোদন দেয়। এর ফলে ব্যাংকটি প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভর করে তার মনোনীত প্রতিনিধিকে গৃহপালিত পশু ক্রয়, কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, গৃহ নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ঋণ দেওয়া শুরু করেছে। প্রবাসী আয় বাড়াতে ব্যাংকটি গত ফেব্রুয়ারিতে এমন নতুন ঋণপণ্য চালু করেছে।

নতুন ধরনের এ ঋণপণ্য চালুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভর করে ঋণ দেওয়া হয়। এ জন্য আমরাও এমন পণ্য চালু করেছি। এতে দেশে থাকা প্রবাসীর স্বজনদের ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আশা করছি, এর ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়বে।’

মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘বিভিন্ন তথ্যভান্ডার থেকে প্রবাসীর তথ্য যাচাই করা যায়। এর ভিত্তিতে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসলে ঋণের সুদ ২ শতাংশ কম নেওয়া হচ্ছে। সিটি ব্যাংকের এজেন্ট পয়েন্ট ও এসএমই শাখা থেকে এ ঋণ মিলছে।’

উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংকের ২২৯টি এজেন্টের ৩৩০টি আউটলেট রয়েছে। আর ব্যাংকটির এসএমই শাখা রয়েছে ১০টির বেশি।

সিটি ব্যাংক সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ গ্রাহককে রেমিট্যান্স ঋণ প্রদান করা হয়েছে। ঋণের আকার সর্বোচ্চ ১০ লাখ। চলতি মাসের মধ্যে আরও ১০০ জনকে এ ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ব্যাংকটি। এর মাধ্যমে প্রবাসী আয় বাড়াতে চায় সিটি ব্যাংক।

কারা ঋণ পাবেন
*প্রবাসীর মনোনীত প্রতিনিধি
*প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভর করে ঋণ দেওয়া হবে
কোন খাতে ঋণ দেওয়া যাবে
*গৃহপালিত পশু ক্রয়
*কৃষি উন্নয়ন ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়,
*গৃহ নির্মাণ ও মেরামত কোথায় মিলছে ঋণ
কোথায় মিলছে ঋণ
*সিটি ব্যাংকের সব এজেন্ট পয়েন্ট
*এসএমই শাখা
ব্যাংকটির কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক সময় আমদানি দায় পরিশোধের জন্য বাজার থেকে ডলার কিনতে হয়। এতে প্রতি ডলারে ১ টাকার বেশি লোকসান হয়। প্রবাসী আয় বেশি এলে ডলার বিক্রি করেও ভালো আয় করা সম্ভব। এ জন্য নতুন এ কৌশল নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, গত বছরের ২৪ মার্চ নতুন এ সেবা চালুর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন জমা দেয় সিটি ব্যাংক। এতে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই প্রবাসীদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের ভিত্তিতে রেমিট্যান্স ঋণ চালুর অনুমোদন চাওয়া হয়। শুধু নিজেদের ব্যাংক নয়, অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসে এমন সুবিধাভোগীদেরও ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ নিয়ে কয়েক দফায় ব্যাংকটির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি চালাচালি হয়।

ব্যাংকটি জানায়, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় আসার তথ্য যেকোনো ব্যাংক থেকে পাওয়া যাবে। ভিসার সত্যতা ও ওয়ার্ক পারমিটের বিষয়গুলো জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরো ও সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে। যে ঋণ দেওয়া হবে, তা এসএমই ও কৃষিঋণ এবং গৃহঋণের আওতাভুক্ত হবে। এ জন্য ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই সিটি ব্যাংক তাদের সেবাপণ্য নীতিমালায় পরিবর্তন আনে।

গত ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকের এমডির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, রেমিট্যান্স প্রেরণের ওপর ভিত্তি করে প্রবাসীদের মনোনীত ব্যক্তিকে রেমিট্যান্স ঋণ প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করা হলো। ঋণ বিতরণ ও আদায়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে দক্ষ ও উপযুক্ত কর্মকর্তা নিয়োগসহ তদারকি জোরদার করতে হবে। বার্ষিক ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ ও আদায়ের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে, একই সঙ্গে ওই গ্রাহকের যে পরিমাণ প্রবাসী আয় আসছে, তা–ও জানাতে হবে। রেমিট্যান্স ঋণের সুদহার বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা ও বিদ্যমান সুদহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ