1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৪০, মামলা ৪৬ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে রিজভীর শ্রদ্ধা নিবেদন স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ছাড়া যে কেউ সভা-সমাবেশ করতে পারবে: আইনমন্ত্রী পুনরায় বর্ডার হাট চালু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদের সময় বাড়ল ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৭ বছর গ্যাস আমদানির নামে লুটপাট করা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

১০ বছরে ৬ মোবাইল কোম্পানি দিয়েছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৩ জুন, ২০১২
  • ১১৬ Time View

গত ১০ বছরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মাধ্যমে দেশের ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটরের কাছ থেকে ১০ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে সরকার।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু।

মন্ত্রী জানান, “২০০১ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত আয়ের ভাগাভাগির অংশ এবং লাইসেন্স ফি, স্পেকট্রাম ফি হিসেবে সরকার এ টাকা আয় করেছে।”

নাসিমুল আলম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, “গ্রামীণফোন সব মিলিয়ে বিটিআরসি’র কোষাগারে দিয়েছে ৫ হাজার ২০৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। রবি জমা করেছে ২ হাজার ১১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এছাড়া বাংলালিংক দিয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এর বাইরে সিটিসেল, এয়ারটেল এবং টেলিটক দিয়েছে যথাত্রক্রমে ৬০৪ কোটি ১২ লাখ, ৫৮৯ কোটি ৯৯ লাখ ও ১১৫ কোটি ২২ লাখ টাকা।”

মন্ত্রী জানান, “২০০১-০২ অর্থ বছরে কেবল বাংলালিংকের কাছ থেকে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা আয় করে বিটিআরসি। আর কোনো অপারেটর সে বছর টাকা দেয়নি। তাছাড়া টেলিটক এবং এয়ারটেল আরো কয়েক বছর পর থেকে আয়ের অংশ বিটিআরসিকে দিতে শুরু করে।”

মন্ত্রী জানান, “মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর কাছ থেকে সরকারের দুটি সংস্থা আয় করে। এর মধ্যে বিটিআরসি’র বাইরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমদানি শুল্ক, কর্পোরেট ট্যাক্স এবং ভ্যাট বাবদ আয় করে। মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর কাছ থেকে আয়ের বড় অংশটিই আসে এনবিআরের মাধ্যমে।”

এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “দেশে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার লাইন স্থাপন হয়েছে। মোবাইল গ্রাহকরা প্রতিদিন গড়ে ৪৭ কোটি মিনিট ভয়েস কল আদান-প্রদান করেন। এসএমএস আদান-প্রদান হয় ৬০ কোটি। ২০০১ সালে ভয়েস গ্রাহক ছিলেন ১২ লাখ। এখন তা সোয়া ৯ কোটি। ২০০১ সালে ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ৪০ হাজার, এখন তা ৪ কোটি ২ লাখ।

ফজিলা-তুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “টেলিটকের নেটওয়ার্ক বাড়ানোর জন্য ৭০০টি বিটিএস স্থাপনের কাজ চলছে। এ কাজ শেষ হলে দেশের মোট ৪৪৮টি উপজেলা টেলিটকের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ