1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর দুর্ধর্ষ অভিযান, নিহত ২৯ হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ

৮ জেলার প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৪৪ Time View

ফরিদপুর, লক্ষ্মীপুরসহ ৮ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এরমধ্যে ফরিদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলায় পাঠানো নিয়োগপত্রের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। বাকী ৬ জেলার নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। ছয় মাসের জন্য এ স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। ওই আট জেলার বিভিন্ন প্রার্থীর করা রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়।

রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন, জামিউল হক ফয়সাল ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যার্টনি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদালত যে আট জেলার নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন তা হলো- নাটোর, পাবনা, গাইবান্ধা, লক্ষীপুর, পটুয়াখালী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে পৃথক রিট আবেদনের ভিত্তিতে এসব জেলায় আগেই নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত।

সাত জেলার নিয়োগপ্রার্থীদের পক্ষে করা রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এরইমধ্যে ফরিদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলায় চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। আদালত এই নিয়োপত্রের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এ কারণে ওই নিয়োগপত্রের ভিত্তিতে আপাতত কেউ চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন না। আদালত এ বিষয়ে রুলও জারি করেছেন। বাকী ৫ জেলায় এখনও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এ কারণে ওই ৫ জেলায় নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩ এর ৭ ধারা অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদে ষাট শতাংশ মহিলা, বিশ শতাংশ পৌষ্য এবং বাকী বিশ শতাংশ সাধারণ প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফলে সেটা অনুসরণ করা হয়নি। ওই ফলাফলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়।

সারা দেশে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৮ হাজার এক শ ৪৭ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে গতবছর ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ফল প্রকাশ করে। এই ফল বাতিল চেয়ে একের পর এক রিট আবেদন করা হচ্ছে। আর আদালত শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ