1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর দুর্ধর্ষ অভিযান, নিহত ২৯ হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ

করোনাভাইরাস : চীন থেকে দেশে ফিরেছে ১৭৮৩ জন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৪১ Time View

চীনে মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশও উদ্বিগ্ন। করোনাভাইরাস আতঙ্কে দেশে ফিরতে শুরু করছে বাংলাদেশি নাগরিকরা। ইতিমধ্যেই ভাইরাসটি চীন থেকে ফ্রান্স, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ইউএসএ, ভিয়েতনাম এবং বাংলাদেশের প্রতিবেশি দেশ ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফলে চীন থেকে আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে স্ক্যানিং মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত (শনিবার রাত) চীন থেকে ১৭৮৩ জন বাংলাদেশি এসেছেন। তবে চীন থেকে আগতদের টেলিফোন ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করে দুজনকে সেম্পল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে বলে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

রবিবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এসব তথ্য দেন।

করোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় জানিয়ে সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই, বরং আমরা প্রস্তুত।

চীন থেকে রোগটি আসার সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু চীনের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, সুতরাং সেখান থেকে রোগটি বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না। সেটা মাথায় নিয়েই আমরা আরও আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছি, এই সপ্তাহ থেকে সেটা আরও ইনটেনসিভ করার চেষ্টা করছি। করোনাভাইরাস নিয়ে আমরা একটা কন্ট্রোল রুম খুলেছি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক্রমে আমরা কাজ করছি। আমরা এই ভাইরাস মোকাবেলা করব।

তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রথমত চীন থেকে আগত প্রত্যেক যাত্রীর টেলিফোন নাম্বারসহ তালিকা নিয়ে পরবর্তীকালে তাদের প্রত্যেককেই আমাদের কল সেন্টারের মাধ্যমে কল করে তাদের কাছ থেকে আমরা নিয়মিত ভিত্তিতে হিস্ট্রি জানবো। কারণ, এই মুহূর্তে জ্বর না থাকলেও পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কারও দেহে যদি কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়, তাহলে তাকে আমরা আমাদের পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসব।

দেশে কতজন যাত্রী চীন থেকে দেশে এসেছে এমন এক প্রশ্নের জবাবে সংক্রমক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক ডা. তানিয়া তাহমিনা বলেন, গতকাল (শনিবার) রাত পর্যন্ত ১৭৮৩ জন যাত্রী চীন থেকে এসেছে। এয়ারপোর্টে দুটি স্ক্যানার দিয়ে তাদের প্রত্যেককেই স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তিনটি স্ক্যানারের মধ্যে দুটি স্ক্যানার ভালো আছে।

স্ক্যানারগুলো যাত্রীর কাছে থেকে ধরলে যদি তার জ্বর-সর্দি থেকে থাকে, তাহলে খুবই দ্রুত শনাক্ত করতে পারে। আজকে (রবিবার) সকালের প্রোগ্রামে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, সেখানে আরও দুটি স্ক্যানার দেয়া হবে। প্রতিদিন কতজন যাত্রীকে স্ক্যানিং করা হচ্ছে, তার মধ্যে কেউ অসুস্থ আছে কিনা, এগুলো আমরা দেখাবো।

এ পর্যন্ত কতজনকে পরীক্ষা করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাব সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আমাদের কাছে ফোনকল এসেছে ৯ জনের। ৯ জনকেই আমরা টেলিফোন ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করে ২ জনকে সেম্পল নিয়ে পরীক্ষা করেছি। এ ছাড়া বাকিদের কারও মধ্যে প্রাসপেক্টিভ কেস আমরা পাইনি, তাই পরীক্ষার প্রয়োজন হয়নি।

পরীক্ষাকৃত দুজনকে সন্দেহভাজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে ধরা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে ধরা ঠিক হবে না। কারণ, তারা চীন থেকে আসলেও আক্রান্ত এলাকা থেকে আসেননি। আমরা অতি সতর্ক হয়েই তাদের পরীক্ষা করেছি।

ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউএসইডিসিকে নিয়ে আমরা একটি টিম তৈরি করেছি। তারা প্রতিদিন এটা রিভিউ করবে যে, গতকালের অবস্থা অনুযায়ী আমাদের পরবর্তী করণীয় কি আছে, এর প্রেক্ষিতে আমরা আজকেও (রবিবার) বসেছিলাম। সেখান থেকে আমরা বিশ্লেষণ করে দেখেছি যে, এই মুহূর্তে স্থলবন্দরগুলোকে সতর্ক রাখব। কিন্তু যেভাবে চীন থেকে আগত ফ্লাইটগুলোকে মনিটরিং করেছিলাম, সেটা এখনও অব্যাহত রাখব। এ ক্ষেত্রে আমরা চীনকেই অধিকতর গুরুত্বের মধ্যে রাখছি। তার কারণ হল, অন্য দেশে যতগুলো এ রোগী পাওয়া যায়, কিছু সাসপেক্টেড (সন্দেহভাজন) পেশেন্ট আর কিছু আক্রান্ত।

তিনি বলেন, যদি কারও মধ্যে এই রোগ চিহ্নত হয়, তাহলে তাদের জন্য প্রাথমিকভাবে কুর্মিটোলা হাসপাতালকে আমরা প্রস্তুত রেখেছি। দ্বিতীয়ত আমরা ইনফেকশন ডিজিজ হসপিটালকে প্রস্তুত করার প্রক্রিয়ায় আছি, বিকালে আমরা এটা নিয়ে আরেকটা মিটিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়েজীদ খুরশীদ রিয়াজ, যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের মেডিসিনের অধ্যাপক এডওয়ার্ড টি রায়ান, আইসিডিডিআরবির সংক্রামক রোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক অ্যালেন রস প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ