1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধু কোনো দল বা গোষ্ঠীর নন, তিনি বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯
  • ৩৮ Time View

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে আজ রবিবার সকাল ১০টায় আইসিটি টাওয়ারের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের পক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। বঙ্গবন্ধুর সাথে শহীদ কর্ণেল জামিলের কন্যা বেগম আফরোজা জামিল কঙ্কা আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ. কে. এম. রহমতুল্লাহ, এমপি এবং সাবেক সচিব ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হতে পাঠ, ১৫ ও ২১ আগস্টে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অবদান, বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র দর্শন ও সোনার বাংলা বিনির্মাণে পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন। দেশের প্রতি বর্তমান প্রজন্মের দায়বদ্ধতার কথা তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত পরেই একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে যখন বঙ্গবন্ধু হাত দিয়েছিলেন, তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে শুরু হয় ষড়যন্ত্র। এসব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করেই তিনি দেশকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। ১৯৭৪ সালেই তার দূরদর্শী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ যোগ দেয় আন্তর্জাতিক টেলিকেমিউনিকেশন ইউনিয়নে (আইটিইউ)। তারই সিদ্ধান্তে বেতবুনিয়ায় স্থাপন করা হয় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর কন্যা তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা দেশের নন, তিনি বিশ্বের একজন অবিসংবাদিত নেতা।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বেগম আফরোজা জামিল কঙ্কা বলেন, দেশের মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ছিলে অপার আস্থা। তার ডাকে সাড়া দিয়ে সবাই স্বতস্ফূর্তভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলে। আবার তার ডাকেই হামলার খবরে যখন সেনাপ্রধানসহ প্রভাবশালী অনেক কর্মকর্তাই খেই হারিয়ে ফেলেন, তখন নিজের কর্তব্যের ডাকে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে ছুটে যান তৎকালীন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব আমার বাবা কর্নেল জামিল আহমেদ। বাবা সিভিল ড্রেসেই বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের দিকে রওনা হন। মা একটু ইতস্তত করছিলেন। বাবা বললেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বিপদ, আমাকে যেতেই হবে।’ কিন্তু বাবা যেতে পারেননি, ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসায় পৌঁছানোর আগেই বাবাকে সোবহানবাগ মসজিদের কাছে গুলি করে হত্যা করা হয়

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ