1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৫০ বছরের ছোট নায়িকার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমনি রাজীবের প্রথম সিনেমায় নিশো-মেহজাবীন এআই যেন বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক থাকতে হবে: রাষ্ট্রপতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক অডিট দলের সন্তোষ প্রকাশ ব্রাজিলে এক ম্যাচে ৫৩ লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা পোশাক কারখানার নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে সমঝোতা স্মারক সই

দেশে ফিরলেন শাহীন বেপারী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৮
  • ৪৯ Time View

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরে আসা শাহীন বেপারী দেশে ফিরেছেন। রোববার বেলা ৩টা ৩২ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০০৭২ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

শাহীনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে শাহীন দেশে ফিরছেন। তিনি কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ (কেএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তার আগে একই হাসপাতাল থেকে শেহরিন আহমেদ, কামরুন্নাহার স্বর্ণা, মেহেদী হাসান, আলমুন্নাহার অ্যানি ও রাশেদ রুবায়েত ঢাকায় ফিরেছেন। তারাও এখন ঢামেকে চিকিৎসাধীন আছেন।

শাহীন বেপারী বাংলাদেশ শান্তি সংঘের সদস্য এবং ঢাকা সদরঘাট এলাকার বিক্রমপুর গার্ডেন সিটিতে মেসার্স করিম অ্যান্ড সন্স নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। কোম্পানি থেকে বার্ষিক আনন্দভ্রমণে নেপাল গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েন তিনি।

সোমবার দুপুরে নেপালের ইউএস-বাংলার বিএস-২২১ ফ্লাইটটি বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪৯ জন এবং আহত ২২ জন। আহতরা নেপালের কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ (কেএমসি) হাসপাতাল, নরভিক হাসপাতাল, গ্রান্ডে হাসপাতাল, ওম হাসপাতাল ও মেডিসিটিতে রাখা হয়েছে।

১২ মার্চ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ৬৭ যাত্রী ও চার ক্রুসহ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিমানটি বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫১ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে। বাকিদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি করা হয়।

বিমানটিতে ৬৭ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, একজন মালদ্বীপের ও একজন চীনের নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে পুরুষ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৭, নারী ২৮ ও দু’জন শিশু ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ