প্রথম সেশনে ৭০ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে দারুণ ভাবে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। তবে পঞ্চম উইকেটে ৬৬ রানের জুটি গড়ে ভয়ংকর কিছুরই পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন ধনঞ্জয় ডি সিলভা ও দীনেশ
খালি চোখে মনে হচ্ছিল মাহমুদউল্লাহ আউট। আর ইমরুল কায়েস ইন। আর বাকিরা সবাই থাকবেন। ব্যাস এই বুঝি হবে কলম্বো টেস্টের দল। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে পি সারায় শেষ প্র্যাকটিস সেশনে দেখেই
ব্যক্তিগত জীবনে অতি আধুনিক ও প্রগতিশীল হলেও ক্রিকেটারদের বড় অংশ সংস্কারবাদী। সুনীল গাভাস্কারের মত আধুনিক মনস্ক ক্রিকেটারও খেলোয়াড়ি জীবনে সংস্কার মানতেন। তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন, জানেন, সবার ভালো জানা,
যে গরম পড়েছিল, তাতে বৃষ্টি অস্বাভাবিক নয়। তারপরও কাল রাতে (মঙ্গলবার) হঠাৎ ঝড়ো বাতাস, সঙ্গে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানো আর ভারী বর্ষণ। বেশ এক পশলা ভারী বৃষ্টিতে ধুয়ে মুছে গেল
শততম টেস্ট ম্যাচ জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে চায় বাংলাদেশ, এমন ঘোষণা দিয়েই মাঠে নেমেছে মুশফিকবাহিনী। আর টস হেরে বোলিং করতে নেমে সূচনাটাও দুর্দান্ত করেছেন মোস্তাফিজ ও মিরাজ। আর এই
মোস্তাফিজের পর উইকেটের দেখা পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। গলে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করা কুশল মেন্ডিসকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান ডানহাতি এই স্পিনার। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত
মাত্র তিনটা ওভার- এতেই কিছু বলে দেয়া যায় না। হয়তো যায়। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে কিছুতেই নয়। আর তিনটা ওভার যদি হয় একদম ম্যাচের প্রথম তিন ওভার; তাহলে নিশ্চয় এই তিন
চার ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই টেস্টের ফলাফল যতটা চোখে পড়েছিলো, তার চেয়ে বেশি চোখে পড়েছিলো মাঠে বিরাট কোহলি ও স্টিভেন স্মিথের যুদ্ধের আবহ। তাই তৃতীয় টেস্টেও সেই আবহ বজায় থাকার
পাকিস্তানের ফ্রাঞ্চাইজি লিগ পিএসএল শুরুর আগেই ফিক্সিং নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। শুরুর পরপরই ফিক্সিংকাণ্ডে জর্জরিত পিএসএল। এ কারণে দুই ক্রিকেটার শারজিল খান এবং খালিদ লতিফকে আগেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল পিসিবি।
২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ ১৬ বছর চার মাস ৬ দিনের ব্যবধানে খেলতে নামছে শততম টেস্ট ম্যাচ। এর মধ্যে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৮টিতে, পরাজয় ৭৬ এবং ড্র করেছে