মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার পর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এসব হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মধ্যে কুয়েতও আক্রান্ত হয়েছে। ইরানের পাল্টা হামলায় কুয়েতে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর দেশ যে আগ্রাসন চালাচ্ছে, তাতে আরও মার্কিন সেনার মৃত্যু হওয়ার ‘আশঙ্কা’ আছে। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান
ইরানের দুই সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এবং মেহের নিউজ জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেই কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের টার্মিনাল–১ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এর
গতকাল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। সর্বশেষ হামলায় একসঙ্গে অন্তত ৩০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইরানি বাহিনী। যার
হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন, মারা
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে বিমানবন্দরটির যাত্রী লাউঞ্জের ছাদের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ছাদ ধসে পড়ে আশপাশে ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠকে বসেছে। বৈঠকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক
ইরানে হামলার পর ইসরায়েলে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনায় নাগরিকদের
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের রাষ্ট্র বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে দেশটির জাতীয় মুদ্রা বলিভিয়ান বলিভিয়ানোতে পরিপূর্ণ একটি সামরিক কার্গো বিমান। বিমানটি কয়েকটি যানবাহনের ওপর পতিত হওয়ায় সেগুলোও বিধ্বস্ত হয়েছে