1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়? সরকারি কর্মীদের বাড়তি বেতন রোববার, চুক্তিভিত্তিক চাকুরেদের হিসাব কী? ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের ফাইনালসে বাংলাদেশ ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, অর্থনীতি পড়তে পারে নদীতে: মাহবুব উল্লাহ মেঘনায় জেলে নিহত: গুলির অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে উল্টে গেল যাত্রীভর্তি বাস, বহু হতাহত সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ বরিশালে মেঘনা নদীতে গুলিতে জেলে নিহত

‘দূতাবাসে জোরপূর্বক প্রবেশ হবে ব্রিটেনের জন্য কূটনৈতিক আত্মহত্যা’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১২
  • ১৩৮ Time View

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতারে ইকুয়েডরের দূতাবাসে ব্রিটিশ পুলিশ জোরপূর্বক প্রবেশ করলে তা হবে ব্রিটিশদের জন্য কূটনৈতিক আত্মহত্যা।

এ ধরণের কর্মকাণ্ডে সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত নিজেদের কূটনৈতিক মিশনগুলোতে ব্রিটেনকে একই ধরণের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ইকুয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের সঙ্গে কূটনৈতিক রশি টানাটানি চলছে ইকুয়েডরের। এ প্রেক্ষিতেই প্রেসিডেন্ট কোরেয়া রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাতকারে এ সতর্কতা উচ্চারণ করেন।

গত জুন মাসে ব্রিটিশ পুলিশের চোখ এড়িয়ে লন্ডনস্থ ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। পরবর্তীতে ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ তার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তাকে সুইডেনে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। সুইডেনে যৌন হয়রানির অভিযোগে খোঁজা হচ্ছে তাকে।

অ্যাসাঞ্জের দাবি সুইডেনে ফেরত পাঠালে তার জীবন বিপন্ন হবে। তার আশঙ্কা সুইডেন তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে। উইকিলিকসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য গোপনীয় তথ্য বিশ্বের সামনে উন্মুক্ত করে দেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাকে বিচারের মুখোমুখি করার ঘোষণা দেয়। এর প্রেক্ষিতেই ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় প্রার্থনা করেন অ্যাসাঞ্জ।

তবে ইকুয়েডর কর্তৃক অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয় মঞ্জুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য হুমকি দেয় তারা প্রয়োজনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে প্রবেশ করে অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতার করবে। যুক্তরাজ্যের দাবি সুইডেনের কাছে অ্যাসাঞ্জকে ফেরত দিতে তারা আইনত বাধ্য।

এর প্রেক্ষিতেই ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট হুঁিশয়ারি উচ্চারণ করে বলেন এ ধরণের পদক্ষেপ হবে ব্রিটেনের জন্য কূটনৈতিক আত্মহত্যার সামিল।

প্রয়োজনে বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপনেরও ঘোষণা দেন তিনি। পাশাপাশি এ ইস্যুতে তিনি আমেরিকার দেশগুলোর সংগঠন অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটসের সদস্যদের সমর্থনও পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য শুক্রবার ওএএস নেতারা এ বিষয়ে এক জরুরি বৈঠকে বসবেন।

কোরেয়া বলেন, “ইকুয়েডরের দূতাবাসে ব্রিটেনের জোরপূর্বক প্রবেশ হবে ভিয়েনা কনভেশন, সব ধরণের আন্তর্জাতিক আইন এবং গত ৩শ’ বছর ধরে পৃথিবীতে চলে আসা সব ধরণের কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন।”

অ্যাসাঞ্জকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে ব্রিটেনের উল্লেখ করা বাধ্যবাধকতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “ব্রিটিশরা বলছে তাকে ফেরত দিতে তারা বাধ্য, তবে চিলির সাবেক সামরিক শাসক অগাস্টো পিনোশেকে চিলির কাছে তারা কেন ফেরত দেয়নি।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ