1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরকারি কর্মীদের বাড়তি বেতন রোববার, চুক্তিভিত্তিক চাকুরেদের হিসাব কী? ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের ফাইনালসে বাংলাদেশ ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, অর্থনীতি পড়তে পারে নদীতে: মাহবুব উল্লাহ মেঘনায় জেলে নিহত: গুলির অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে উল্টে গেল যাত্রীভর্তি বাস, বহু হতাহত সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ বরিশালে মেঘনা নদীতে গুলিতে জেলে নিহত পাবনা মানসিক হাসপাতাল বিনোদনের জায়গা নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারি কর্মীদের বাড়তি বেতন রোববার, চুক্তিভিত্তিক চাকুরেদের হিসাব কী?

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ Time View

“আশা করি, রোববারই নতুন বেতন মিলবে। বাকিটা আইবাসের হিসাব-নিকাশ বলতে পারবে,” বলেন অর্থ বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

সরকারি চাকুরেদের জন্য ধাপে ধাপে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর করার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার তারা বাড়তি বেতন পেতে যাচ্ছেন।

এদিন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া চাকুরেরাও বেতন পাওয়ার কথা।

‍চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের সবাই কী নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন? এ নিয়ে আলোচনা সামনে এসেছে।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত ২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ বিভাগ; এতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সর্বনিম্ন গ্রেডে ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে ১০০ শতাংশ বেতন বাড়িয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি চাকুরেদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন হবে ধাপে ধাপে। এর মধ্যে ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামোর বাড়তি বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন এবং ১০–২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন।

এ ছাড়া ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামোতে বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০–২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন।

২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির শতভাগ কার্যকর হবে। আর মূল বেতনের সঙ্গে যেসব ভাতা পেয়ে থাকেন সরকারি চাকুরেরা, সেসব পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

গত ৩০ জুন তারা যে বেতন পেয়েছিলেন, সেটিকে ভিত্তি ধরে বাড়তি প্রাপ্য হিসাব করা হবে।

মূল বেতন, ভাতা, বাসা ভাড়া, পেনশনসহ সকল বিষয়ে একের পর এক প্রজ্ঞাপন দিয়ে সরকার নতুন বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর করার নির্দেশনা দিয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামোর একাংশ এখন থেকে পেলেও ভাতা বা অন্যান্য সুবিধা মিলবে পূর্বের বেতন কাঠামো ধরেই। সে বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে সরকার।

এরপর চুক্তিভিত্তিক চাকুরেদের বেতন প্রাপ্তি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলে এটিও স্পষ্ট করল অর্থ বিভাগ।

এদিকে সরকারি আয় ব্যয় হিসাব সংরক্ষণের ডিজিটাল মাধ্যম আইবাস ++ সিস্টেমে নতুন বেতনকাঠামোর জটিলতা দূর করার কথা বলেছেন অর্থ বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

কিছু বিষয়ে নতুন ফিচার চালু হওয়ায় বেতন নির্ধারণে জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

অর্থ বিভাগের ওই কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আশা করি, রোববারই নতুন বেতন মিলবে। বাকিটা আইবাসের হিসাব-নিকাশ বলতে পারবে।

“তবে খোঁজ নিয়ে যতটুকু জানলাম, সব জটিলতা নিরসন করা হয়েছে। এরপরও যদি জটিলতা থাকে তাহলে তা ম্যানুয়ালি সমাধান করা হবে।”

এটি ‘এক শতাংশের’ বেশি কর্মীদের ক্ষেত্রে হবে না বলে তার ভাষ্য।

এ কর্মকর্তা বলেন, “যাদের ২০১৫ বেতন কাঠামোর বেতন নির্ধারণে প্রথমবার ভুল হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রে মূলত এই জটিলতা হওয়ার কথা।”

সরকার বিভিন্ন দায়িত্বে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারি চাকুরেদের বাইরে থেকে বা অবসরে যাওয়া সাবেক কর্মীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে।

তাদের বিষয়ে বৃহস্পতিবার নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন-ভাতা নির্ধারণের বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

চলতি বছরের ১ জুলাইয়ের আগে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫-এর আওতাভুক্ত বিভিন্ন গ্রেডে যারা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন এবং যাদের চুক্তির মেয়াদ ওই তারিখের পরও বহাল আছে, তাদের বেতন নতুন স্কেলে পুনর্নির্ধারণ করা হবে। এটি হবে সরকারের সঙ্গে চুক্তি সংশোধন সাপেক্ষে।

জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬-এ বেতন নির্ধারণের নিয়ম অনুসরণ করে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তাদের অনুরূপ গ্রেড ও ধাপে বেতন ঠিক করা হবে।

একই তারিখ থেকে তারা চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী বর্ধিত হারে বেতন পাবেন। তবে এর মধ্যে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির অংশটি প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে যে ভাতার কথা আছে, সেটিও তারা পাবেন।

নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকরের পরে (১ জুলাই ২০২৬-এর পর) যারা চুক্তিভিত্তিক পদে নিয়োগ পেয়েছেন বা পাবেন, তাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। অবসরে যাওয়ার ঠিক আগে জাতীয় বেতনস্কেলের যে গ্রেড ও ধাপে তারা মূল বেতন পেতেন, জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬-এর অনুরূপ গ্রেড ও ধাপের বেতনই হবে চুক্তিভিত্তিক পদের বেতন। বিদ্যমান চুক্তি থাকলে তা সংশোধন করতে হবে।

চুক্তি অনুযায়ী যোগদানের তারিখ হতে চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর একই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী (বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বাদে) বর্ধিত হারে বেতন এবং চুক্তিতে থাকা ভাতা তারা পাবেন।

তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার যে বেতন নির্ধারণ করবে, অথবা উভয় পক্ষের সম্মতিতে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে যে বেতন ঠিক হবে, সেটিই চুক্তিভিত্তিক পদের বেতন হিসেবে গণ্য হবে।

চুক্তিভিত্তিক নির্ধারিত বেতন থেকে নির্ধারিত ‘গ্রস পেনশন’ (কম্যুটেশন বা সমর্পণ করার আগের অংশ) এবং বিশেষ অতিরিক্ত পেনশন, যদি থাকে, তা বাদ যাবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ