1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন, প্রভাব পড়বে কানাডার বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, লিখতে হবে যেভাবে আবাসিক এলাকায় মার্কিন উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৯ আরোহী নিহত আ.লীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ দাখিল হবিগঞ্জে পিকআপ-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে শ্রমিক নিহত ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৫ রাজনৈতিক অর্থায়নের প্রক্রিয়া দলগুলোকে ক্ষমতাকেন্দ্রিক বিজনেস মডেলে পরিণত করছে: টিআইবি টানা দুই দফা কমার পর দেশে বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? এনএমএইচএস ফুটবল টুর্নামেন্টে ব্যাচ ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

৯১% নারী যৌন হয়রানির শিকার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ জুলাই, ২০১২
  • ১৩৩ Time View

দেশে শতকরা ৯১ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার। এর মধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যাই বেশি। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি বিএনডব্লিউএল ২০১০ এর গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ব্র্যাকের অন্য এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হয়রানির শিকার মেয়েরা অনেক সময় অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক আয়োজিত ‘যৌন হয়রানি বা উত্ত্যক্তকরণকে না বলুন এবং সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায়  এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য উপস্থাপন করে বলা হয়, দেশে ১০ থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ মেয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়। এরমধ্যে ৩৬ শতাংশ মেয়েকে উত্ত্যক্ত করা হয় তাদের স্কুলের সামনে। আর দেশের প্রায় প্রতিটি মেয়েই কোনো না কোনোভাবে জীবনের কোনো এক সময় যৌন হয়রানির শিকার হয়।

জানানো হয়, ২০১০ সালে শুধুমাত্র যৌন হয়রানির কারণে ৩২ জন আত্মহত্যা করে। ২০১১  সালে এ সংখ্যাটা ছিল ৩১ জন। আর এ বছরের মে মাস পর্যন্ত যৌন হয়রানির কারনে আত্মহত্যা করেছে ৮ জন।

মতবিনিময় সভায় ব্র্যাকের একটি গবেষণা তুলে ধরে বলা হয়, উত্ত্যক্তকরণ এবং যৌন হয়রানির কারণে উচ্চ শিক্ষায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশের কোমলমতি মেয়েরা। অপমান সহ্য করতে না পেরে অনেকেই বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। ফলে অবধারিতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন।

পুরুষতান্ত্রিত মানসিকতা, সমাজে ও পরিবারে নারীদের অবমূল্যায়ন, নীতি নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়, কর্মহীন অলস মন, পারিবারিক শিক্ষার অভাব, আইনি দূর্বলতা (মাত্র ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড)  সঙ্গে আইন প্রয়োগে অনীহা, এবং প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ছাড়া দোষী সাব্যস্ত করতে না পারা,
টিজিং এর সঙ্গে যুক্তদের রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক সমর্থন এবং পৃষ্ঠপোষকতাকে যৌন হয়রানির অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করা হয়।

সভায়, যৌন হয়রানি বন্ধে শিক্ষার্থী, কিশোর-কিশোরী নিজে, অভিভাবক শিক্ষক, সহপাঠি, বন্ধু, প্রতিবেশী, স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, নেতা, কমিশনার মেম্বার, চেয়ারম্যান, প্রশাসন ও পুলিশসহ সর্বস্তরে প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উদ্যোগ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ