1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থী ভিসায় আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণের শর্ত কঠোর হচ্ছে স্বপ্ন-বঞ্চনার নাটক ‘শুভঙ্কর হাত ধরতে চেয়েছিল’, আসছে শিল্পকলায় মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা বানাতে চান বিপাশা হায়াত, কেন? ২০২৭ সালেই শৈশবের ক্লাবে ফিরছেন মেসি? বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় পলাতক ট্রাকচালক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ আসছে কাল দেশের ৪৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা প্রকাশনায় শীর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে সিনেমা পরিচালনা করলে রাজের পরামর্শ নেব: দেব শুরু হলো তৃতীয় দিনের খেলা, লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত গুটিয়ে দেওয়া

সোনালী ব্যাংকের এমডি ও চিফ হুইপের ভাইকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৪
  • ১৪০ Time View

DUDOK-LOGOনিয়মবহির্ভূতভাবে পটুয়াখালী জুট মিলসকে ঋণ দেওয়ার অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রদীপ কুমার দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁর পর পরই চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের ভাই আবুল মাকসুদ মো. ফরহাদের সঙ্গেও কথা বলেন দুদকের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বাহাদুর আলম।

আজ সোমবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে প্রদীপ কুমার দত্ত আর দুপুর ১২টা থেকে আবুল মাকসুদ মো. ফরহাদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেন এই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী জুট মিলসের কর্ণধার আ স ম ফিরোজ ও তাঁর আরেক ভাই এ বি এম রেজাকে আজ দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও তাঁরা উপস্থিত হননি। তাঁদের পক্ষ থেকে উপস্থিত হন ভাই মো. ফরহাদ। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে মো. সাকিব।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয় থেকে বের হয়ে সোনালী ব্যাংকের এমডি প্রদীপ কুমার দত্ত সাংবাদিকদের জানান, ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের (বর্তমানে বিডিবিএল) অর্থায়নে পটুয়াখালী জুট মিলস লিমিটেড যাত্রা শুরু করে। ১৯৮৯ সালে এই কোম্পানির মালিকেরা ১৭০ দশমিক ৮৭ শতাংশ জমি এবং শিল্প ব্যাংকের কাছে থাকা পুরো প্রকল্প জমি ও নানা রকম যন্ত্রপাতি বন্ধক রেখে সোনালী ব্যাংক থেকে মোট এক কোটি ২০ লাখ টাকার চলতি মূলধন নেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চলতি মূলধন ও মেয়াদি ঋণ বাড়তে থাকে। পরে ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শুরু হয় সোনালী ব্যাংকের সুদ মওকুফ ও পুনঃতফসিল। এভাবে কয়েক দফা সুদ মওকুফ ও সুদবিহীন হিসাবের সুযোগও নিয়েছিল পটুয়াখালী জুট মিলসের মালিকপক্ষ।

২০১০ সালের ১১ অক্টোবর আবারও ঋণটি পুনঃতফসিল ও সুদ মওকুফ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী এ সময় এককালীন অর্থ জমা দিতে হয়। বিভিন্ন হিসাব শেষে পটুয়াখালী জুট মিলসের এককালীন জমা হিসাব করা হয়েছিল এক কোটি ২২ লাখ টাকা। কিন্তু মালিকপক্ষ শুধু ২০ লাখ টাকা জমা দেয়। তাদের দেওয়া সবগুলো চেকই প্রত্যাখ্যাত হয়। সর্বশেষ চার কোটি ৫৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকা জমা করার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কিছুই করা হয়নি। ঋণটি বর্তমানে বন্ধ আছে, ঋণের বিপরীতে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো মালামাল গুদামে নেই। তাই ব্যাংকের শাখা পর্যায় থেকে ঋণটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

মো. ফরহাদ বের হয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর ভাইদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সবই ভুল তথ্য। তাঁরা আসতে না পারায় তাঁদের পক্ষ থেকে দুদকের সম্মান রক্ষার্থে তিনি এসেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ