1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়? সরকারি কর্মীদের বাড়তি বেতন রোববার, চুক্তিভিত্তিক চাকুরেদের হিসাব কী? ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের ফাইনালসে বাংলাদেশ ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, অর্থনীতি পড়তে পারে নদীতে: মাহবুব উল্লাহ মেঘনায় জেলে নিহত: গুলির অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে উল্টে গেল যাত্রীভর্তি বাস, বহু হতাহত সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ বরিশালে মেঘনা নদীতে গুলিতে জেলে নিহত

মোদির সফর নিয়ে আমেরিকার বলার মতো কিছু নেই

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫
  • ১২৮ Time View

ratkeভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকা। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছেন, মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে বলার মতো কিছু নেই তাদের।

ওয়াশিংটন ডিসিতে স্থানীয় সময়  মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র জেফ রাতকে বলেন, “আমরা সব সময় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সম্প্রীতি দেখতে চাই।”

এর আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভারত সফরের সময় নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনায় আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও দুই নেতা কথা বলেছিলেন জানিয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, জেফ রাতকে কি মনে করেন যে, মোদির এই সফরের পর বাংলাদেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শক্তিশালী গণতন্ত্রের দিকে এগোবে?

জবাবে জেফ রাতকে বলেন, “বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্পর্কে বলার মতো আসলে কিছু নেই আমার কাছে। তবে অবশ্যই এই দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ককে আমরা সমর্থন করি। কিন্তু এর চেয়ে বেশি আর কিছু নেই। এই সফর সম্পর্কে বলার মতো কোনো মন্তব্য নেই আমার কাছে।”

ব্রিফিংয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশী মুসলমানদের সম্পর্কে কোনো তথ্য আছে কি না তা জানতে চান এক সাংবাদিক।

জবাবে জেফ বলেন, “আমরা ১৫০ অভিবাসী নিয়ে সচেতন আছি, সম্ভবত শিগগিরই এদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এই অভিবাসীদের বিষয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন মানবিকতার পথ সহজ ও অবাধ করে দেয়। সেই সঙ্গে তারা যেন ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থার সঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী এই অভিবাসীদের গ্রহণ করে। আমরা এটাও বুঝি যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার এসব আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করে এই অভিবাসীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে কাজ করবে।  এই বিষয়ে আমার কাছে আপাতত এটুকুই বলার আছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ