1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকে নতুন এমডি, বেসরকারি ব্যাংক থেকে দুজন খুলনা বিভাগে এক দিনে ডেঙ্গু ও হামে ৮ জনের মৃত্যু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সমীকরণকে অনুপ্রেরণা মানছেন শান্ত প্রথম টেস্টের আগে অনুশীলনে মুশফিকের চোট জাপানে জেরা’র এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিগ-বি উদ্যোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের নতুন প্রত্যাশা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আজ আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করছে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা: হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় বৃহস্পতিবার ছাত্রদলেই আমার রাজনৈতিক শিক্ষা: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর আমজনতার তারেক

ভারতের অর্থনীতি ভাল যাচ্ছে না

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১২
  • ১৮৮ Time View

ঋণমান নির্ধারক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুয়রস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ভারতে ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি এবং ক্রমহ্রাসমান প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিতে অধোগতি আনতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটি এখনো ভারতকে BBB ক্যাটাগরিতে রেখেছে। তবে সেই সঙ্গে তারা বলেছে, এ মান পরিস্থিতির ভিত্তিতে স্থিতিশীল থেকে ঋণাত্মকে পরিবর্তিত হতে পারে।

সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১১-১২ অর্থ বছরে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে ভারত সরকার নির্ধারণ করেছে ৭ শতাংশ।

এ বিষয়ে ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রনব মুর্খাজী বলেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ২০১১-১২ অর্থ বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের কাছাকাছিই হবে।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা বাজেট ঘাটতি কমাতে সক্ষম হব। আর জিডিপির ৫ দশমিক ১ শতাংশের কাছাকাছিই থাকবে।’

স্ট্যার্ন্ডাড অ্যান্ড পুয়রের ঋণ বিশ্লেষক তাকাহিরা ওগাওয়া বুধবার এক বিবৃতিতে বলেন, ভারতের বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভাবনা কমে গেছে এবং ঘাটতিও বেড়েছে। ফলে মধ্যম মেয়াদে দেশটির ঋন মান দুর্বলের দিকে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘তবে দীর্ঘমেয়াদে ভারতের ঋণ মান ঋণাত্মক মানের দিকে যাবে ধরে আমাদের পর্যবেক্ষণ পুনমূল্যায়ন করছি।’

সরকারি এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১১-১২ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ শতাংশের নিচে।

খনিজ, কৃষি এবং উৎপাদনখাতে নিম্নমুখী প্রবণতাই এর মুল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কর্মকর্তারা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মূলস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বারবার সুদের হার বাড়ানোর কারণে সবচে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিল্পখাত।

এছাড়া, বিশ্ব বাজারে বিশেষ করে ইউরো জোনের অনিশ্চয়তা এবং সরকারের নীতি নির্ধারণে অক্ষমতা ভারতের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতির জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতিও ভারতে একটি চলমান সমস্যা। এ সমস্যা নিরসনে ২০১০ সালের মার্চ থেকে এ যাবৎ ১৩ বার সুদের হার বাড়ানো হয়েছে।

প্রবৃদ্ধির এ অধোগতির পরও ভারতের পুঁজিবাজার মোটামুটি চাঙ্গা বলেই মনে হচ্ছে। চলতি বছরে প্রধান সূচক সেনসেক্স বেড়েছে ১৫ শতাংশ। এছাড়া ২০১১ সালের শেষ নাগাদ ডলারের বিপরীতে রুপির মূল্য বেড়েছে ৮ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ