1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইসরায়েলকে সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি প্রিমিয়ার ব্যাংকে আরও ৩ স্বতন্ত্র পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে সমাবেশ সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর তারিখ ঘোষণা বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতা ‘নতুন দৃষ্টান্ত’ গড়তে পারে: অর্থ উপদেষ্টা দুই ব্যাংকের পর্ষদে পাঁচ স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ১০ লাখ ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করে আশা জাগাচ্ছে দেশীয় মাধ্যম ফ্রিডার সিলেট নগরীতে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা চ্যাম্পিয়নস লিগে রাতে মাঠে নামছে বার্সেলোনা, ফ্রিতে খেলা দেখবেন যেভাবে

ব্যাংককে শুরু আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা: সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরবে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪১ Time View

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন অর্থায়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আজ সোমবার শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা। এতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে।

বাংলাদেশের জন্য এবারের সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার ও বাস্তবতার ভিত্তিতে সংস্কার কার্যক্রম তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতের সুশাসন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের বিষয়ে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করা।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ব্যাংকক সভায় বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্যোগে প্রণীত অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরবে। দেশের কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সরকার নিজস্ব অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে দেশের বাস্তবতা ও নীতিগত অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।

বাংলাদেশের এ অবস্থানের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাজে লাগিয়ে অর্থনীতির বিদ্যমান দুর্বলতা দূর করা এবং সংস্কার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা। রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, ব্যাংক খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগের বাধা দূর করা এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর মতো বিষয় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন—প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব।

১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককের কুইন সিরিকিত জাতীয় সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় বৈশ্বিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন অর্থায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি বিনিয়োগের ভূমিকা এবারের সভার আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল সভার ফাঁকে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার ও উন্নয়ন অর্থায়নের চাহিদা তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে দেশের সংস্কার কার্যক্রমে সহযোগিতা বাড়ানো এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ অনুসন্ধানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এবারের সভায় আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ঋণ কর্মসূচি ও সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দূর করা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, করব্যবস্থার সংস্কার এবং সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর মতো বিষয় সম্ভাব্য আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে সংস্কার বাস্তবায়ন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অগ্রাধিকার ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংস্কার কর্মসূচির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্ব দিচ্ছে। ব্যাংকক সভায় এ বিষয়ে মতবিনিময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ অর্থায়নের কাঠামো ও সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের উৎস বহুমুখীকরণ, বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে পুঁজিবাজার ও বন্ড বাজারের ভূমিকা বাড়ানোর বিষয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বৈদেশিক ঋণের পাশাপাশি দেশীয় সম্পদ আহরণ ও বেসরকারি পুঁজি ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানো দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

বিশ্বব্যাংকের এবারের সভার কর্মসূচিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বেসরকারি পুঁজি সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান এবং উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন সম্প্রসারণ নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ