1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন, প্রভাব পড়বে কানাডার বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, লিখতে হবে যেভাবে আবাসিক এলাকায় মার্কিন উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৯ আরোহী নিহত আ.লীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ দাখিল হবিগঞ্জে পিকআপ-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে শ্রমিক নিহত ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৫ রাজনৈতিক অর্থায়নের প্রক্রিয়া দলগুলোকে ক্ষমতাকেন্দ্রিক বিজনেস মডেলে পরিণত করছে: টিআইবি টানা দুই দফা কমার পর দেশে বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? এনএমএইচএস ফুটবল টুর্নামেন্টে ব্যাচ ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

নতুন ফ্লু ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ আগস্ট, ২০১২
  • ১৫৩ Time View

হারবার সিল নামে উত্তর গোলার্ধীয় অঞ্চলের এক প্রজাতির সিলের মধ্যে নতুন এক প্রকৃতির ইনফ্লুয়েঞ্জা আবিষ্কার করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। নতুন ধরনের এ ফ্লু ভাইরাস মানুষ ও পশুর জন্য বড় হুমকি হতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা ভীষণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

গত বছর নিউ ইংল্যান্ডে মারা যাওয়া হারবার সিল এইচ৩এন৩ টাইপ ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গবেষকরা বলছেন, পাখির কোনো ফ্লু ভাইরাস থেকে এ ভাইরাসের উদ্ভব ঘটতে পারে। এ আবিষ্কারের ফলে কোনো অজানা উৎস থেকে ফ্লুর মহামারি ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কার দিকটি এখন সামনে আসছে।

গত বছর নিউ ইংল্যান্ডে রহস্যজনকভাবে ১৬২টি হারবার সিল মারা যায়। তখন বিষয়টি নিয়ে বেশ ধন্দে পড়ে গিলেছিলেন গবেষকরা। কিন্তু পরে জানা গেল, সিলের এ নির্বিচার মৃত্যুর পেছনে এইচ৩এন৩ ভাইরাসের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

মৃত পাঁচটি সিলের ব্যবচ্ছেদ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা এইচ৩এন৩ ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়েছিল। এ ভাইরাসটি ২০০২ সালে উত্তর আমেরিকার পাখিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ফ্লু ভাইরাসের প্রজাতির অনুরূপ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের ফ্লু স্তন্যপায়ীর দেহে বাঁচতে পারে এবং মিউটেশনের (পরিব্যক্তি) মাধ্যমে আরো বেশি সংক্রমণ ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। মানুষের শ্বাসনালীতে প্রাপ্ত একটি প্রোটিনে আক্রমণের ক্ষমতা রয়েছে এ ভাইরাসের।

এ ব্যাপারে নিউইয়র্ক সিটির ওয়েল কর্নেল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ড. অ্যান মসকোনা বলেছেন, নতুন এ ভাইরাস আসলেই উদ্বেগের বিষয়।

তিনি বলেন, “উদ্বেগের বিষয় হলো, আমরা স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হওয়ার মতো একটি ফ্লু ভাইরাস পেয়েছি। অবশ্য এখনো এটি সে চরিত্র দেখায়নি। আগে কোনো রোগে এমন ধরনের সংমিশ্রণ দেখা যায়নি।”

সিলের মধ্যে যখন ফ্লু ভাইরাসের সংক্রমণ আবিষ্কার করেন তখন বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন, এটা নতুন কোনো প্রজাতি যা দু’টি ভাইরাস প্রজাতির মধ্যে ক্রম রূপ পরিবর্তন করতে সক্ষম। কিন্তু তারা ধারণা করতে পারেননি যে, বার্ডফ্লু সংক্রমণ এভাবে সিলের একটি প্রজাতির মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ড. মসকোনা আরো বলছেন, “কোনো স্থানে ফ্লু’র প্রাদূর্ভাব দেখা যেতে পারে। এখন কোনো অপ্রত্যাশিত উৎস থেকে নতুন ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকির ব্যাপারে আগাম জানার জন্য একে সনাক্ত করার যথেষ্ট সামর্থ থাকা চাই।”

নতুন এ ফ্লু ভাইরাসের ব্যাপারে প্রতিবেদনটি বিজ্ঞান সাময়িকী আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ