1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাপানের বিনিয়োগে বাংলাদেশে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা টেকসই পোশাকশিল্পের রূপান্তর তুলে ধরবে বাটেক্সপোর ইমপ্যাক্ট জোন সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকা রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি, আহত ১ নাটোরে ছাত্রদল নেতা হত্যা: এমপিপুত্র মিন্টু তিন দিনের রিমান্ডে ‘…আম্মু ওকে আমার গার্ডিয়ান বানিয়ে দিয়েছিল’ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ফুটবলে আইইউবি-ইউআইইউয়ের ম্যাচ ড্র কমনওয়েলথ কাবাডিতে সিঙ্গাপুরকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য বিওয়াইডি গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক

ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৯ Time View

ক্রীড়াবিদদের তালিকা নির্দিষ্ট সংখ্যায় পূরণ করার চেয়ে যোগ্য ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদ বাছাইকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

তিনি বলেন, ৫০০ জনের কোটা পূরণ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য নয়; বরং এমন মানসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে চাই, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে পারবেন।

আজ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি চলমান। গত চার মাসের পর্যালোচনায় বর্তমান তালিকা থেকে ৩১ জনকে বাদ এবং নতুন করে ৯৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ফলে তালিকায় ক্রীড়াবিদের সংখ্যা এখন প্রায় ৪০০ জনের কাছাকাছি।

তিনি বলেন, শুধু সংখ্যা মেলানোর জন্য তালিকায় কাউকে রাখা হবে না। আমাদের প্রয়োজন মানসম্মত ক্রীড়াবিদ, যারা দেশকে ভালো কিছু এনে দিতে পারবে। তবে আমরা এখনো সেই মানের ৫০০ জন ক্রীড়াবিদ পাইনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স, সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটি কোনো এককালীন সিদ্ধান্ত নয়, বরং প্রতি চার মাস পর পর মূল্যায়ন করে নতুন ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদের তালিকায় যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদ ও কোচদেরও প্রশিক্ষণের সমন্বিত আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ক্রীড়াবিদদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা, বিমা এবং নৌ, বিমান, রেল ও সড়কপথে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্রের হয়ে সুনাম আনা ক্রীড়াবিদদের সুবিধা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব, বিনিময়ে তাদের কাছ থেকেও পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রত্যাশা করি।

স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়াম পরিদর্শনে নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে। যেখান থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব পাওয়ার কথা, সেখানে অতি সামান্য আয় হচ্ছে, অথচ মধ্যস্বত্বভোগীরা মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করছে। ঢাকার স্টেডিয়াম ও মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভাড়ার কাঠামো পর্যালোচনায় ইতোমধ্যেই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্টেডিয়ামের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, রিকশার গ্যারেজসহ ক্রীড়া পরিবেশের পরিপন্থী সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। স্টেডিয়ামকে কেবল খেলার মাঠ নয়, একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের না খেলার প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, সরকার এখন থেকে শুধু অংশ নেওয়ার উদ্দেশে কোথাও যাবে না, বরং পদক ও সাফল্যের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে লড়বে। এজন্য এশিয়ান গেমস, অলিম্পিক ও কমনওয়েলথ গেমসের মতো আসরগুলোকে কেন্দ্র করে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মাদক মুক্ত, সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই স্কুল-কলেজ, ক্লাব ও উপজেলা-জেলা পর্যায় থেকে তৃণমূলের প্রতিভা খুঁজে বের করা হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অলিম্পিকের মতো শীর্ষ মঞ্চে শুধু অংশগ্রহণকারী হিসেবে নয়, বরং পদকের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো দল তৈরি করা।

আমিনুল হক আশা প্রকাশ করেন, দীর্ঘদিনের সনাতন ক্রীড়া কাঠামো বদলে পেশাদার পরিবেশ তৈরি করা গেলে আগামী এক থেকে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ